Connect with us

লাইফস্টাইল

সামান্য মনোমালিন্য যেন না হয় সম্পর্ক বিচ্ছেদের কারণ

Avatar of author

Published

on

সম্পর্ক

শুধুমাত্র স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটি হতে পারে ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধবী এমন কি অফিসে কলিগদের সাথেও। একটু পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মনে হয়, ‘এই যাহ্‌! কী বলে ফেললাম, এখন কী হবে!’ বার বার সরি বলার পর বিপরীত মানুষটা সবকিছু স্বাভাবিক আছে বললেও কিছু কথা হয়তো তার মনে গেঁথে যেতে পারে সারা জীবনের জন্য। বার বার বোঝানোর চেষ্টা করলেও সেই সম্পর্ক আর আগের মতো সুন্দর করে তোলা যায় না।

ছোটখাটো এমন ব্যাপারগুলো অনেক সময় জমে জমে খুব বড় সমস্যার সৃষ্টি করে আর রূপ নেয় ছাড়াছাড়ি বা বিচ্ছেদের মতো অবস্থার। তাই সমস্যা যতই জটিল হোক খেয়াল রাখতে হবে, মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটি যেন না হয় আপনার সম্পর্ক বিচ্ছেদের কারণ। কিন্তু কীভাবে? আজকে জেনে নিবো এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে।

১) ‘আমিই ঠিক’ এমন ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটির সময় আমরা অপরপক্ষের কোনো কথাই শুনতে বা বুঝতে চাই না। দুই পক্ষের মধ্যেই যদি এমন ভাবনা থাকে ‘আমিই ঠিক’ তাহলে কথায় কথায় শুধু কথা কাটাকাটি ও ঝগড়াঝাঁটি বাড়বে। এমন সময় আপনি ঠিক হলেও অপরপক্ষের সাথে যুক্তি খন্ডনে না যেয়ে তাকে ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত সময় দিন। অপরপক্ষও কোন কারণে কথাটি বলছে তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। তার কথা আপনি বোঝার চেষ্টা করছেন এমন পরিবেশ তৈরি করুন। এরপর ধীরে ধীরে আপনার জায়গাটাও তাকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন। তবে এক্ষেত্রে ‘তোমাকেই বুঝতেই হবে, আমি অনেক ধৈর্য ধরে আছি’ এমন মনমানসিকতা রাখা যাবে না।

২) দুর্বলতা নিয়ে কটূক্তি করা যাবে না

Advertisement

আমরা কেউই পারফেক্ট নই। জীবনে চলার পথে কমবেশি আমরা সবাই ভালো খারাপ পরিস্থিতিতে পড়েছি। মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটির কারণে সুন্দর সম্পর্ক মুহূর্তেই ভেঙে যেতে পারে। কিন্তু খুব কম মানুষই হাজার সমস্যার মধ্যেও সম্পর্ক সুন্দর রাখতে পারে। দুইজন মানুষের সম্পর্কের গভীরতার উপর নির্ভর করে একজন অপরজনকে অনেক কিছুই শেয়ার করতে পারে। যা হয়তো স্বাভাবিকভাবে যে কাউকে শেয়ার করা যায় না।

আমাদের জীবনের অতীত বা নেতিবাচক পারিপার্শ্বিক অবস্থা দিয়ে আমাদের বর্তমান বিচার করা যায় না। তাই খুব খারাপ সময়েও শুধুমাত্র তর্কে জিততে হবে এমন ভেবে কেউ কারো দুর্বলতা নিয়ে কটূক্তি করা যাবে না। এতে ওই নির্দিষ্ট সময়ে হয়তো তর্কে জেতা যায়, কিন্তু সম্পর্কটা আর আগের মতো সুন্দর নাও থাকতে পারে।

৩) নিজেদের তর্কে তৃতীয় ব্যক্তিকে জড়ানো যাবে না

নিজেদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সবকিছু ঠিকঠাকও হয়ে যায়। কিন্তু কথা কাটাকাটির মাঝে অপর কোনো তৃতীয় ব্যক্তিকে জড়ানো আমাদের অনেকেরই একটা বাজে স্বভাব। চিন্তা করে দেখুন তো, বাবা মায়ের কাছে আমরা ছোট থেকে বড় হতে হতে কত ভুল করেছি! এখন যদি তারা কথায় কথায় পরিবারের বাইরের মানুষজনকে আমাদের দুর্বলতাগুলো নিয়ে কথা বলে বা কটূক্তি করে তাহলে কি আমাদের ভালো লাগবে? মোটেও না!

তেমনই দুইটা মানুষের মাঝে সম্পর্ক যেমনই হোক না কেন, কেউ কখনোই চাইবে না এই বিষয়গুলো নিয়ে তৃতীয় ব্যক্তিকে জড়ানো হোক! এতে দুটো মানুষের মধ্যে দিন শেষে সমঝোতা হয়ে গেলেও তৃতীয় ব্যক্তির মাথায় অনেক অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল ধারণা থেকে যায়। এতে সেই ব্যক্তিটির সাথেও এক ধরণের অস্বস্তিকর বা অস্বাভাবিক সিচ্যুয়েশনের সৃষ্টি হয়। তাই নিজেদের কথা কাটাকাটির সময় যতটা সম্ভব তৃতীয় ব্যক্তিকে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

Advertisement

৪) কথায় কথায় ছেড়ে যাওয়ার ভয় দেখানো যাবে না

খুব ছোটখাটো ঝগড়ার সময় অথবা শুধুমাত্র তর্কে জিতে যাওয়ার জন্য আমরা অনেকেই ছেড়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে আনন্দ পাই! অপরপক্ষের মানুষটা চুপ করে সহ্য করে যাওয়ায় আপনি হয়তো ভাবছেন তর্কে জিতে গেলেন এবারও! কিন্তু আপনি যে কাজটি করলেন সেটি সবচেয়ে বড় ভুল এবং এক অর্থে বোকামি! এভাবে একে অপরের প্রতি এক ধরণের দূরত্ব সৃষ্টি হয়!

ইংরেজিতে ‘Taken For Granted’ বলে একটা কথা আছে। সম্পর্কে যখন একজন আরেকজন কে পেয়ে বসে আর ভাবে, ‘ও তো থাকবেই, ও তো করবেই’ – তখনই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত এক্সপেক্টেশনের কারণে সম্পর্ক সুন্দর থেকে অসুন্দরের দিকে চলে যায়। ধীরে ধীরে সম্পর্ক থেকে মন উঠে যেতে থাকে।

৫) দুইজন একই সাথে চিৎকার চেঁচামেচি করা যাবে না

ধরুন আপনার কাজের প্রচন্ড প্রেশার! এর মাঝেই আপনার কোনো সিনিয়র আপনাকে একটা কাজ দিয়ে গেলো। প্রতিটা কাজই আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বুঝেই উঠতে পারছেন না কোনটা রেখে কোনটা করবেন। এর মাঝে সিনিয়র আবার এসে খুব রাগ নিয়ে আপনাকে কাজটা এখনই করে দিতে বললো! আপনিও নিতে না পেরে চেঁচামেচি শুরু করলেন। সিনিয়র আরও জোড়ে জোড়ে রাগ করে কথা বলা শুরু করলো! এতে কী হবে শেষ পর্যন্ত একবার ভেবে দেখুন তো? কলিগদের মধ্যে সম্পর্কে নেগেটিভিটি আর কলহ বেড়ে যাবে। কাজ করার পরিবেশ থাকবে না। মানসিক অশান্তি বেড়ে যাবে।

Advertisement

রাগারাগির এমন সিচ্যুয়েশনে একজনও যদি মাথা ঠান্ডা রেখে আরেকজনের জায়গাটা বুঝে কথা বলা বা শোনার চেষ্টা করতো তাহলে কিন্তু শুরুতে এই সমস্যাগুলোই হতো না! তাই অবশ্যই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে দুইজন একই সাথে চিৎকার চেঁচামেচি করা যাবে না! যে কোনো একজনকে অবশ্যই ধৈর্য ধরতে হবে।

৬) লজিক্যাল কথাগুলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বুঝিয়ে বলুন

যখন আমরা রাগ করে থাকি তখন স্বাভাবিকভাবেই চাই আরেকজন আমার জায়গাটা বুঝবে। ধরুন, আপনি আমার উপর কিছু নিয়ে খুব রাগ করে আছেন। আপনার জায়গাটা আমি শুনতে বা বুঝতেই চাচ্ছি না। কিন্তু চাচ্ছি আপনি আমার কথা শুনবেনই। এক পর্যায়ে আমি আপনাকে লজিক দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এমন সময় আমি ঠিক কথা বললেও আপনার কাছে তা শুনতে ভালো নাও লাগতে পারে। ইচ্ছাকৃতভাবে আপনি আমার সাথে আরও বাজে ব্যবহার করতে পারেন। তাই আমার জায়গা থেকে আমি ঠিক হলেও পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত সময় নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ। দুইজনকেই এক্ষেত্রে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে।

৭) ঝগড়াকালীন চিন্তার বাইরে যেয়ে লং টার্ম চিন্তা করতে হবে

ঝগড়াকালীন সময়ে কমবেশি আমরা সবাই যে ভুলটি করি তা হলো, ভবিষ্যতের কথা একেবারেই চিন্তা করি না! ঝগড়াঝাঁটি বা মনোমালিন্য কিন্তু সবচেয়ে বেশি আমাদের কাছের মানুষদের সাথেই হয়। বাবা-মার সাথে ঝগড়া করে একটু পর তা ঠিকও হয়ে যায়। একইভাবে ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী বা অফিসে কারো সাথে ঝগড়াঝাঁটি হলেও দিনশেষে আমাদের কিন্তু এই মানুষগুলোকে নিয়েই থাকতে হয়। কিন্তু মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটির সময় রাগের বশে বলে দেয়া একটি কথা কিন্তু সারাজীবনের জন্য অপর মানুষটার মনে দাগ কেটে দিতে পারে। তাই ভবিষ্যতে আফসোস না করে ঝগড়াকালীন চিন্তার বাইরে যেয়ে লং টার্ম চিন্তা করতে হবে।

Advertisement

৮) অগোছালো কথা না বলে নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে কথা বলুন

ধরুন, অফিসের কোনো কলিগের সাথে আপনার ঝামেলা হলো। আপনি তার সাথে মিলে একটা কাজ করছেন। আপনার কাজ আপনি ঠিকঠাকভাবে করে দিয়েছেন কিন্তু কলিগ তার কাজটুকু ঠিক মতো না করেই সাবমিট করে দিলো! তার জন্য আপনাকে সবার সামনে বকা খেতে হলো। এমন সময় আপনি কী করবেন? কলিগের ভুলটি ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে বলবেন নাকি সবার সামনে তাকে ইচ্ছেমত বকাঝকা করবেন? সাথে পুরনো আরও কিছু কথা টেনে নিয়ে আসবেন?

যদি আপনি শর্ট টেম্পারড হন এবং বকাঝকা করবেন এমনটি ভেবে থাকেন তবে অবশ্যই আপনার সেলফ ডেভেলপমেন্ট বা ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স এর উপর আরও কাজ করতে হবে। কোনো একটা নেতিবাচক সময়ে ইমোশনালি ফ্রাস্ট্রেটেড না হয়ে, অগোছালো কথা না বলে, নির্দিষ্ট যে বিষয়ে সমস্যা হচ্ছে তা নিয়ে কথা বলুন এবং সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করুন।

৯) মনোমালিন্য শেষে সমাধানে আসার মাইন্ড সেট থাকতে হবে

‘আমাকে তুমি এটা বলবে কেন? তোমাকে কেন আমার বলতে হবে? আমার যেভাবে ভালো লাগে আমি করবো, চলবো!’ কথাগুলো কি খুব পরিচিত লাগছে? মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটির সময় যা হয়েছে তা ওই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকতে দিন। আমাদের দাদি-নানিরা একটা কথা প্রায়ই বলতেন, ‘অনেকগুলো ঘটিবাটি একসাথে থাকলে টুকটাক শব্দ তো হবেই’। তেমনই একসাথে চলতে গেলে যে কোনো সম্পর্কেই একটু মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটিও হবেই। কিন্তু তা ধরে মনে নিয়ে বসে থাকাটা বোকামি। দুই পক্ষেরই মনোমালিন্য শেষে সমাধানে আসার মাইন্ড সেট থাকতে হবে।

Advertisement

কথায় আছে ‘সম্পর্ক যে কেউ ভেঙে ফেলতে পারে, তবে খুব কম মানুষই সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে এবং ধরে রাখতে পারে।’ আমাদের জীবনটা খুব ছোট হলেও এর জার্নিটা সুন্দর করে তোলার দায়িত্বটাও আমাদের। মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটির সময় এমন ছোট ছোট বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারলেই কিন্তু আমাদের সম্পর্কগুলোও সুন্দরভাবে টিকে থাকতে পারে। সেই সাথে যে কোনো বাজে পরিস্থিতিতে একে অন্যকে দোষ না দিয়ে সময় দিতে হবে এবং অবশ্যই আরেকজনের জায়গাটা বুঝতে হবে এবং বুঝিয়ে বলতে হবে।

কেএস/

Advertisement

লাইফস্টাইল

খাওয়াদাওয়ায় নিয়ম মেনে চল্লিশেও চালশে…

Published

on

লাইফস্টাইল,-পুরুষের--ডায়েট

শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে মেয়েরা যতটা সচেতন, পুরুষেরা ঠিক ততটাই উদাসীন। শরীরের খেয়াল রাখার বিষয়টি অনেক পুরুষেরই সিলেবাসের বাইরে। বিশেষ করে খাওয়াদাওয়ায় চরম অবহেলা করেন অনেকেই। সময়ে খাবার খাওয়া তো দূর, কাজ আর ব্যস্ততার কারণে অনেকে খেতেই ভুলে যান। সেই সঙ্গে অন্যান্য অনিয়ম তো আছেই। একটা বয়স পর্যন্ত অনিয়ম আর অবহেলা শরীর সহ্য করে নেয়। কিন্তু বয়স ৪০-এর কোঠা পেরোনোর পর খাওয়াদাওয়া নির্দিষ্ট রুটিন মেনে করা জরুরি বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ এবং চিকিৎসকেদের।

চলুন জেনে নেই চল্লিশোর্ধ্ব পুরুষের ডায়েট রুটিন কেমন হবে-

প্রোটিন বেশি খেতে হবে

৪০ পেরনো মানেই শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি তৈরি হয়। সেই ঘাটতি পূরণ করতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেতে হবে। মুরগির মাংস, গ্রিক ইয়োগার্ট, ডিম, বাদাম হল প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস। এই খাবারগুলি খেলে প্রোটিনের শূন্যস্থান তৈরি হবে না।

ফল এবং শাকসব্জি খাওয়া জরুরি

সুস্থ থাকতে যেকোনও বয়সে ফল, শাকসব্জি খাওয়া জরুরি। তবে ৪০-এর পর বাধ্যতামূলক হয়ে যায়। একটা করে ফল এবং সবুজ শাকসব্জি প্রায় প্রতিদিনই খাওয়া প্রয়োজন। ফল-সব্জিতে থাকা নানা স্বাস্থ্যকর উপাদান শরীরে প্রবেশ করলে অনেক রোগবালাই থেকে দূরে থাকা যায়।

হোল গ্রেন খেতে পারলে ভাল

ফাইবার এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপাদানের সমৃদ্ধ উৎস হল বিভিন্ন ধরনের শস্য। সেই ধরনের খাবার বেশি করে খেতে হবে। ফাইবার হজমের গোলমাল দূর করে। তা ছাড়া রক্তচাপের মাত্রা বশে থাকে। ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমে এমনকি হার্টও ভাল থাকে। ব্রাউন রাইস, ওট্স, বার্লির মতো খাবার খেতে পারলে ভাল।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রূপচর্চা

ফেইস শেইপ অনুযায়ী বেছে নিন পারফেক্ট হেয়ার কাট ও স্টাইল

Published

on

পারফেক্ট হেয়ার স্টাইল ছাড়া আপনার ওভারঅল লুকটা কিন্তু ইনকমপ্লিট থেকে যায়। নিজের ব্যক্তিত্বকে পুরোপুরিভাবে ফুটিয়ে তুলতে মানানসই হেয়ার স্টাইলিং কিন্তু মাস্ট। আমরা জানি যে, মুখের গড়নের সাথে ঠিকঠাক হেয়ার কাট বা স্টাইল সিলেকশনের একটা সম্পর্ক আছে। কোন বিষয়গুলো মাথায় রেখে নিজের জন্য মানানসই হেয়ার কাট সিলেক্ট করতে হয়, সে বিষয়ে কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না! ফেইস শেইপ অনুযায়ী পারফেক্ট হেয়ার কাট ও স্টাইল বেছে নেয়াটা কিন্তু বেশ জরুরি। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।

মুখের গড়নের সাথে মানানসই হেয়ার স্টাইল

এই বিষয়টি একদমই পারসোনাল চয়েজ। কিন্তু ফেইসের শেইপ অনুযায়ী হেয়ার কাট সিলেক্ট করলে সেটা আপনার ন্যাচারাল বিউটিকে আরও এনহ্যান্স করবে। হালের ফ্যাশনে তাল মেলাতে কিংবা ট্রেন্ডি স্টাইলে নিজেকে প্রেজেন্ট করতে, যেটাই আপনার করতে ইচ্ছা হোক না কেন; সেটা হওয়া উচিত ফেইস শেইপের সাথে মিলিয়ে! এর জন্য প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে আপনার ফেইস শেইপ কেমন।

ফেইস শেইপ ও হেয়ার কাট

প্রথমেই আপনার সমস্ত চুল মুখের উপর থেকে সরিয়ে আঁচড়ে বেঁধে নিন। এবার আয়নার সামনে সোজা হয়ে দাঁড়ান, আর খেয়াল করুন আপনার মুখের আকৃতি কেমন। পারফেক্ট হেয়ার স্টাইল পাওয়ার প্রথম শর্তই হচ্ছে মানানসই হেয়ার কাট করানো। চুলের ভলিউম এবং লেন্থ কেমন, সেটার উপরও হেয়ার কাট ডিপেন্ড করে। জেনে নিন কোন ধরনের ফেইসে কোন হেয়ার কাট মানাবে।

Advertisement

১. রাউন্ড শেইপের জন্য

গোল শেইপের ফেইসের সাথে মিডিয়াম টু লং লেন্থের হেয়ার সবথেকে ভালো মানায়। এমন হেয়ার কাট সিলেক্ট করুন যাতে মুখের দুই পাশের অংশ কম ফোলা লাগবে। আপনার যদি রাউন্ড শেইপের ফেইস কাটিং হয় তাহলে লং বব কাট, সাইড লেয়ার, ব্যাংস কাট খুব ভালো মানাবে।

২. ওভাল শেইপের জন্য

ওভাল বা ডিম্বাকৃতির ফেইস শেইপে প্রায় সব ধরনের হেয়ার কাট স্যুট করে। আপনার চুল যদি স্ট্রেইট হয়, সেক্ষেত্রে বব কাট, ভলিউম লেয়ার, ফ্রন্ট ব্যাংস বা ফুল লেয়ার কাট দিতে পারেন। আর যদি কার্লি হেয়ার হয়, তাহলে পেছনের দিকে স্টেপ কাট বা ইউ শেইপে চুল ছেঁটে নিতে পারেন।

৩. স্কয়ার শেইপের জন্য

Advertisement

স্কয়ার শেইপের ফেইসে চুল একদম ছোট করে ফেললে মুখ আরও বেশি চওড়া দেখাবে। শোল্ডার লেন্থ যেকোনো কাটের সাথে সাইড ব্যাংস কাট দিন। এটা আপনার জ-লাইনকে ঢেকে দিতে সাহায্য করবে। লং লেয়ার বা ব্লান্ট কাট ইজিলি ক্যারি করতে পারেন, এতে মুখের স্কয়ার ভাবটা কম দেখাবে।

৪. লম্বাটে ফেইস শেইপের জন্য

লম্বাটে মুখ এমনিতেই একটু শুকনো দেখায়, গালে ফোলাভাব থাকে না। সেজন্য হেয়ার কাটিং এমন হতে হবে যাতে করে মুখ কিছুটা ভারী লাগে। এক ছাটের লম্বা চুলে এই ধরনের ফেইস আরও বেশি ফ্ল্যাট লাগবে। সাইড সোয়েপ্ট লং হেয়ার এড়িয়ে চলুন। আপনার চুল শোল্ডার লেন্থে রেখে সাথে লেয়ার বা স্টেপ কাট দিয়ে নিতে পারেন।

এগুলো সাধারণ কিছু গাইডলাইন মাত্র। আপনি যেকোনো হেয়ার কাট-ই ট্রাই করতে পারেন। কনফিডেন্টলি ক্যারি করতে পারলে সব কিছুই মানিয়ে যাবে।

হেয়ার স্টাইলিং টিপস

Advertisement

আপনার রুচি ও আভিজাত্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটে আপনি নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করেছেন সেটার মাধ্যমে। কোন কোন বিষয় খেয়াল রেখে চুল বাঁধবেন বা আপনার ওভারঅল লুকটাকে কমপ্লিট করবেন, সেটা এখন জেনে নিন। স্টাইলিংটা এমন হওয়া উচিত যেটা আপনার পারসোনালিটিকেও পুরোপুরি কমপ্লিমেন্ট করবে। আপনি কোন প্রফেশনে আছেন, বয়স, আপনার আশেপাশের পরিবেশ সবকিছুই বিবেচনায় রাখবেন।

পারসোনালিটি অনুযায়ী হেয়ার কাট দিয়েছেন

ইউনিভার্সিটি বা অফিসে যাওয়ার জন্য পনিটেল ও ফ্রন্ট পাফ অনেকেই প্রিফার করেন। একটু ক্যাজুয়াল থাকতে চাইলে মেসি বান বা সাইড ব্রেইড করে নিতে পারেন। আবার ছোট চুল থাকলে ছেড়েও রাখতে পারেন। আপনি যেই স্টাইলই পিক করুন না কেন, সেটা যেন আপনার কাজে বাঁধা সৃষ্টি না করে, বরং আপনার নিজস্ব স্টাইল ও ব্যক্তিত্বকে যাতে ফুটিয়ে তোলে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে এটি যেন কমফোর্টেবল হয়! এই ছোটখাটো বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে এলিগেন্ট ও ক্ল্যাসি ওয়েতে আপনি নিজেকে প্রেজেন্ট করতে পারবেন।

বিবেচনায় রাখুন আপনার বয়স

হেয়ার সেটিং করার সময় আপনার বয়সকে সবসময়ই প্রাধান্য দিতে হবে। টিনেজের হেয়ার স্টাইলের সাথে মধ্যবয়সী একজনের হেয়ার সেটিং কিছুটা হলেও আলাদা হওয়া উচিত। টিনেজাররা হেয়ার নিয়ে বিভিন্ন রকম এক্সপেরিমেন্ট বা ফিউশন স্টাইলিং করতে পারে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটু মোডেস্ট লুকে বেশি ক্ল্যাসি লাগে।

Advertisement

পোশাকের সাথে মানানসই হেয়ার স্টাইল

আউটফিটকে কমপ্লিমেন্ট করে এমন হেয়ার মেকওভার সিলেক্ট করতে হবে। শাড়ীর সাথে বা ট্র্যাডিশনাল লুকের সাথে খোঁপা, ব্রেইড হেয়ার স্টাইল খুব ভালো মানায় অথবা চুল স্ট্রেইট করে ছেড়েও রাখতে পারেন। কামিজ ও ওয়েস্টার্ন আউটফিটের সাথে লুজ কার্ল, সাইড বান, ফ্রেঞ্জ বেনি করতে পারেন কিংবা সুন্দর একটা হেয়ার কাট দেওয়া থাকলে খোলা চুলেই ভালো লাগে দেখতে।

অকেশন বুঝে হেয়ার সেটিং

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কোন অকেশনের জন্য আপনি হেয়ার স্টাইলিং করছেন, সেটাও বিবেচনায় রাখুন। কোনো গ্ল্যামারাস পার্টি হলে হেয়ার ড্রেসিংয়ে আপনি আপনার লুকে ইনোভেশন বা বৈচিত্র্য আনতে পারেন। আপনার যদি স্টেইট হেয়ার হয়, তাহলে কার্ল করে নিয়ে স্টাইলিং করুন আর যদি এমনিতেই আপনার চুল কোঁকড়া হয়, তাহলে স্টেইটনার দিয়ে একটু টেনে নিন, চটজলদি লুকে একটা চেঞ্জ চলে আসবে।

ফ্রন্ট হেয়ার কীভাবে সেট করবেন?  

Advertisement

ফ্রন্ট হেয়ার সেটিং কিন্তু খুবই ইম্পরট্যান্ট। সময় কম থাকলে পাফ করে নিয়ে ছেড়ে রাখুন বা ব্লো ড্রাই করে নিন। নানা ধরনের স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড বা অ্যাকসেসরিজ দিয়েও চুলের সাজে ভিন্নতা আনা যেতে পারে। তবে ফেইস শেইপ অনুযায়ী ফ্রন্ট হেয়ার সেট করুন। যেমন রাউন্ড শেইপের ফেইস হলে সামনের চুল পাফ করে বাঁধলে, এতে মুখ আরও গোল লাগবে। সেক্ষেত্রে জাস্ট এক সাইডে সিঁথি করে চিরুনি দিয়ে সামনের চুল সেট করে নিতে পারেন, অপরদিকে টুইস্ট করে ক্লিপ দিয়ে আটকিয়ে নিলে বেশ ভালো লাগবে। কপাল ছোট হলে ফ্রন্ট পাফ করতে পারেন, কপাল যদি চওড়া হয় তবে ব্যাংস কাট দিয়ে চুল খোলা রাখুন। এতে কপালের কিছু অংশ ঢেকে থাকবে, তার দেখতেও ভালো লাগবে।

তাহলে জেনে নিলেন, ফেইস শেইপ অনুযায়ী পারফেক্ট হেয়ার কাট ও স্টাইল নিয়ে দারুণ কিছু টিপস! যেকোনো স্টাইলই ট্রাই করতে পারেন, কনফিডেন্টলি ক্যারি করতে পারলে তাতেই আপনাকে লাগবে গর্জিয়াস। আর অন্যদের কাছেও হয়ে উঠবেন ফ্যাশন আইকন।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

পরামর্শ

ঘড়ি ধরে ওজন কমানোর সহজ উপায়

Published

on

বাঙালি হিসেবে জন্ম থেকেই আমরা ভোজনরসিক! একটা ছুটির দিন বা একটা উৎসব পেলেই হলো, হাজারটা আইটেমের লিস্ট তৈরি হয়ে যায় মাথায়। কিন্তু শুধু পেট আর মন ভরলে আর কি হবে, ওদিকে পকেট তো ফাঁকা হয়ে যায়! এই রোগ ঐ রোগের জন্য ওষুধ কিনতে কিনতে অবস্থা হয়ে যায় আরো ভঙ্গুর! এর থেকে বাঁচার আর প্রিয় শরীরটাকে বাড়তি ওজন নামের দানবটার থেকে বাঁচানোর তাহলে উপায় কী? খুব সোজা, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং! ঘড়ি ধরে ওজন কমানোর সহজ এই উপায়টি সম্পর্কেই জানাবো আজ।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কী?

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং, তবে তার আগে চলুন কিছু ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস জেনে নেই এই সম্পর্কে। ২০১৯ সালে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি খোঁজা শব্দগুলোর মধ্যে বেশ উপরের দিকেই জায়গা করে নিয়েছিলো এই শব্দটি। কী পরিমাণ সাড়া পড়েছিল তাহলে বুঝতেই পারছেন! তবে ২০১৯ সালের আরো আগে থেকেই এই নিয়ে কথা চলছিলো। ইংল্যান্ডের জার্নাল অব মেডিসিন এ নিয়ে একটা গবেষণাপত্রই বানিয়ে ফেললো শুধু একটা ডায়েট স্টাইলের উপর ভিত্তি করে। এছাড়াও ২০১২ সালে বিবিসি-তে একটি প্রোগ্রাম হতো, যার নাম ছিলো ‘Eat Fast, Live Longer’। বুঝতেই পারছেন জ্ঞানীগুণী মহলে এই বস্তুর ভক্তের অভাব নেই।

এই ফাস্টিং আসলে কীভাবে করে? ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং হলো সবিরাম উপোস। এটি এমন একটি খাদ্যাভ্যাস যেখানে আপনি কী খাচ্ছেন, কতটুকু খাচ্ছেন সেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং আপনি কোন সময়ে খাচ্ছেন আর কোন সময়ে খাচ্ছেন না সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটো ইন্টারমিটেন্ট পদ্ধতি হলো ১৬:৮ আর ৫:২।

১৬:৮ মানে হলো আপনি দিনের মধ্যে যেকোনো সময়, আপনার সুবিধা অনুযায়ী, ৮ ঘন্টা খাবেন আর বাকি ১৬ ঘন্টা কোনো রকম ক্যালরি গ্রহণ করতে পারবেন না। অনেকটাই আমাদের মুসলমানদের রোজা রাখার মতো। তবে ভয় নেই, আপনাকে একেবারে না খেয়ে থাকতে কেউ বলবে না, বরং চাইলে আপনি একেবারে লো ক্যালরি যুক্ত কিছু যেমন- ফলের ফ্লেভারযুক্ত পানি, শসা বা কম ক্যালরির যেকোনো ফল একেবারে অল্প পরিমাণে খেতে পারেন। ৫:২ হলো সপ্তাহে ৫ দিন স্বাভাবিক জীবনযাপন করা এবং দুইদিন উপবাস থাকা। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনার ক্যালরি ইনটেক যেন কোনোভাবেই আপনার ওজন কমানোর অন্তরায় না হয়ে যায়!

Advertisement

ওজন কমাতে কি আসলেই এটা কাজে দিবে?

মোটামুটি আমরা বুঝলাম যে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর ব্যাপারটা আসলে কী, এবার চলুন আরেকটু কাঁটাছেড়া করি পুরো জিনিসটাকে। জেনে নেই ঠিক কীভাবে এই প্রক্রিয়ায় আপনি ওজন কমাতে পারেন।

আমরা যেসব খাবার খাই, কার্বোহাইড্রেট বা প্রোটিন বা ফ্যাট যাই হোক, সেগুলোকে বডি দুইভাবে ভেঙে ফেলে। একভাগে থাকে গ্লুকোজ, এই গ্লুকোজ আমাদের দেহের সব কোষের মধ্যে যায় এবং অক্সিডেশনের মাধ্যমে সেখানে শক্তি দেয়। বলাবাহুল্য, সেই শক্তি দিয়েই আমরা কাজ করি। এখন ধরে নিন, আপনি খাবার বেশি খেয়েছেন বা যে পরিমাণ কাজ করলে আপনার প্রতিদিনের এনার্জি বার্ন হবে সেই পরিমাণে আপনি কাজ করেননি। তাহলে কী হবে? খুব স্বাভাবিকভাবেই শরীরে শক্তি জমা থাকবে। এখানে আসছে আমাদের দ্বিতীয় ভাগ, আমাদের শরীরে যত বাড়তি শক্তি আছে বা গ্লুকোজ আছে সেগুলোকে ফ্যাট আমাকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মাংসপেশির নিচে জমিয়ে রাখে। আর আমরা মোটা হয়ে যাই এভাবেই!

এবার ভাবুন তো, যখন আমরা রমজান মাসে রোজা থাকি বা সারাদিনের একটা লম্বা সময় না খেয়ে থাকি তখন কই থেকে আসে আমাদের কাজ করার শক্তি? আর শুধু তো কাজ করার শক্তি নয়, বরং আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, ব্রেইন এসব ইন্টার্নাল অর্গানগুলোর নিজেদের কাজ চালিয়ে নিতেও তো শক্তি লাগে, তাই না? সেগুলো আসে কোথা থেকে? আমাদের শরীরে জমে থাকা ফ্যাট তখন প্রয়োজন অনুযায়ী গ্লুকোজে ভেঙে যায় এবং শক্তির জোগান দেয়। এভাবেই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং আমাদেরকে শক্তি দেয় এবং শরীরের জমানো ফ্যাটগুলোকে ভেঙে শরীরকে আরেকটু হালকা বানায়।

এই ফাস্টিং এর সুবিধা কী?

Advertisement

কিছুটা আদ্যোপান্ত তো জানা হলো ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং নিয়ে, এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক এটি কি শুধু ওজনই কমায় নাকি আরো কিছু উপকারও দেয় সে সম্পর্কে। এই ফাস্টিং এর সুবিধা-

১. আমাদের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

২. শরীরে ইনসুলিন প্রোডাকশন বাড়িয়ে দেয়, যার জন্য শরীরের অতিরিক্ত শর্করা ভেঙে যায়

২. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

৩. স্ট্রেস হরমোন ক্ষরণ কমিয়ে দেয়

Advertisement

৪. হরমোন ব্যালেন্সিং এর ক্ষেত্রে বেশ সাহায্য করে

৫. স্কিনের গ্লো বাড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রেও এর কিছুটা প্রভাব আছে বলে ধারণা করা হয়

কাদের জন্য এই ফাস্টিং নয়?

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর প্রচুর উপকারী দিক থাকলেও এটা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। কারা এই ফাস্টিং করতে পারবেন না চলুন জেনে আসি।

১. যারা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চেষ্টা করছেন

Advertisement

২. গর্ভবতী নারী

৩. স্তন্যদাত্রী

৪. ডায়াবেটিস রোগী

৫. নিম্ন ওজন আছে এরকম মানুষ

৬. নিম্ন রক্তচাপ আছে এমন কেউ

Advertisement

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর সময়ে আপনার শরীর যেন কোনোভাবেই পানিশূন্যতায় না ভোগে এটা খেয়াল রাখা কিন্তু অবশ্য কর্তব্য! আর খাবার তালিকায় এই সময়টায় প্রসেসড ফুড আর বেশি ভাজাপোড়া জিনিস না রাখাই ভালো। এত সাধ করে যে ওজন কমানোর মিশনে নেমেছেন খেয়াল রাখবেন যেন নিজের ছোট ছোট ভুলের জন্য এই মিশনটা ব্যর্থ না হয়! আর সবচেয়ে ভালো হয় যদি কয়েকজন মিলে একসাথে এই মিশনে নামেন। আজকাল অনেকগুলো ফেইসবুক গ্রুপে এই ধরনের কার্যক্রম চলমান, আগ্রহী হয়ে একটু সার্চ করে যুক্ত হয়ে যেতে পারেন! সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত