Connect with us

চট্টগ্রাম

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা, শিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড

Avatar of author

Published

on

মৃত্যুদণ্ড

পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার দায়ে অংবাচিং মারমা প্রকাশ বামং (৪৬) নামের এক শিক্ষককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে রাঙামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ ই এম ইসমাইল হোসেনের আদালত এ রায় প্রদান করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা থানার বড়খোলা পাড়ার ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মিতালী মারমা আসামি অংবাচিং মারমা প্রকাশ বামং’র বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। অতিরিক্ত পড়ানোর কথা বলে তার সঙ্গে পড়তে যাওয়া অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে মিতালীকে রেখে দেন অংবাচিং মারমা। বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে মিতালিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। মিতালী ভয় পেয়ে চিৎকার শুরু করলে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পরে ভুক্তভোগী বাড়ি না ফেরায় তার বাবা খোঁজে বের হন। তখন আসামি পড়া শেষ করে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিতালীকেও ছুটি দেন বলে জানান। আসামির আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় মিতালীর বাবা স্থানীয়দের নিয়ে লুকিয়ে আসামির বাড়ি পাহারা দিতে থাকেন। পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে আসামি মিতালীর বস্তাবন্দি মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে আনলে বস্তাসহ স্থানীয়রা তাকে আটক করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ময়নাতদন্তে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

Advertisement

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মিতালী চাকমার বাবা সাথুই অং মারমা বলেন, আমার মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তার বিচার আমি পেয়েছি। আমি এই রায়ে সন্তুষ্ট। আর কোনো মা-বাবার বুক যাতে এভাবে খালি না হয়।

এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। এই রায়ের ফলে সমাজে শিশুদের প্রতি অন্যায় ও অবিচারের প্রবণতা কমে আসবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশীদ বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে আমার এই রায়ের বিপক্ষে থাকার কথা। কিন্তু যেহেতু এটি একটি জঘন্যতম অপরাধ, তাই আমি মনে করি এই রায়ের ফলে সমাজে একটি শক্ত বার্তা পৌঁছাল। আসামির পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্চ আদালতে আপিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

কেএস/

Advertisement
Advertisement

ক্যাম্পাস

পুলিশ-আন্দোলনকারী সংঘর্ষে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক রণক্ষেত্র

Published

on

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে দেশব্যাপি চলছে “কমপ্লিট শাট ডাউন” কর্মসূচি। কর্মসূচি পালনকালে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশেপাশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।  এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজনকে আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে মহাসড়কে পৌঁছলে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

সরেজমিনে  দেখা যায়, মহাসড়কে শিক্ষার্থী এবং পুলিশ সদস্যরা শান্তিপূর্ণ ভাবে অবস্থান নিলেও । হঠাৎই শুরু হয় সংঘর্ষ, এসময় শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে থাকে পুলিশ। এরপর শিক্ষার্থীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট,পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। এসময়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থী ও পুলিশের সংঘর্ষ চলমান রয়েছে। এতে একজন পুলিশ সদস্য ও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আহত হতে দেখা গেলেও মোট কতজন শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে শহর থেকে  আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা কোটবাড়ি অভিমুখে রওনা করলে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সদস্যরা পথে বাধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

Advertisement

বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল ও কুমিল্লা জিলা স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কয়েকহাজার শিক্ষার্থী যোগ দিয়েছে।

আই/এ

 

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

Published

on

চট্টগ্রামে-সড়ক-অবরোধ

চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে নতুন ব্রিজ এলাকায় অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে যান চলাচল ।

এর আগে বুধবার (১৭ জুলাই) নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনত শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।

তিনি জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করছি। কর্মসূচি চলাকালে শুধু হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না, অ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সড়কে কোনো গাড়ি চলবে না।

এদিকে, কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

Advertisement

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আইন-বিচার

সংঘর্ষে ৩ জন নিহতের ঘটনায় ৪ মামলা, আসামি ৭ হাজার

Published

on

চট্টগ্রামের মুরাদপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষ ও তিন জন নিহত হওয়ার ঘটনায় খুলশী এবং পাঁচলাইশ থানায় পুলিশের ৪টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। গেলো মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চট্টগ্রামে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ ওই ৩ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে এসব মামলা রুজু করা হয়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। মামলা চারটির মধ্যে খুলশী থানায় একটি এবং পাঁচলাইশ থানায় বাকি তিন মামলা করা হয়। মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা গণমাধ্যমে বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে মুরাদপুর এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি প্রায় সাত হাজার। এ তিন মামলার মধ্যে পুলিশ করেছে দুটি। অন্যটি আহত একজনের মা করেছেন। পুলিশের দুই মামলার বাদী পাঁচলাইশ থানার এসআই দীপক দেওয়ান।

তিনি আরও বলেন, তিন জন নিহতের ঘটনায় করা মামলায় ছয় হাজার থেকে সাড়ে ছয় হাজার জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইমন ধর নামে আহত এক ব্যক্তির মা সুমি ধর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। ওই মামলায় ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (পিআর) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় খুলশী থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। আহত এক ব্যক্তির স্বজন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এ মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত