Connect with us

ঢালিউড

কবি মাকিদ হায়দার আর নেই

Avatar of author

Published

on

কবিpic

বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি,পাবনার কৃতী সন্তান মাকিদ হায়দার মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লা হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )। কবি মাকিদ হায়দার অনেকদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন।

বুধবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাকিদ হায়দারের চাচাতো ভাই মোখলেছু ররহমান বাদশা।

মোখলেছুর রহমান বলেন, বিকেলে ঢাকা থেকে মরদেহ রওয়ানা দিয়ে রাতে পাবনায় পৌঁছাবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার পাবনার আরিফপুর সদর কেন্দ্রীয় গোরস্থান মাঠে সকাল ৮ টায় জানাজা শেষে সেখানেই দাফন করা হবে। তিনি খুবই মেধাবী ও ভালো মনের একজন মানুষ ছিলেন। সবার সঙ্গে মধুর ব্যবহার করতেন। আসলে তার মৃত্যুতে অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কবি মাকিদ হায়দার পাবনার আরিফপুরের দোহারপাড়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন । কবির বাবা হাকিম উদ্দিন শেখ ও মা রহিমা খাতুন। চৌদ্দ ভাইবোনের মধ্যে মাকিদ হায়দার ছিলেন ষষ্ঠ । মাকিদ হায়দারের ভাই রশীদ হায়দার, জিয়া হায়দার, দাউদ হায়দার, জাহিদ হায়দার, আবিদ হায়দার ও আরিফ হায়দার সবাই সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত। মাকিদ হায়দার পাবনার গোপালচন্দ্র ইনস্টিটিউট থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করেন। এরপর ঢাকায় চলে যান কবি। ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তিনি। ঢাকার বিসিক শিল্প নগরীতে চাকরি করতেন তিনি। কবি মাকিদ হায়দার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মাকিদ হায়দারের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- রোদে ভিজে বাড়ি ফেরা (১৯৭৬), আপন আঁধারে একদিন (১৯৮৪), পার্থ ও প্রতিম (২০০৭), কফিনের লোকটি (২০১১), যে আমাকে দুঃখ দিলো (২০১২), প্রিয় রোকানালী (২০১৩), মুমুর সাথে সারা দুপুর (২০১৪)। এ ছাড়া তার একটি গল্পগ্রন্থ ও একটি প্রবন্ধের বই রয়েছে।

Advertisement

এএম/

Advertisement

ঢালিউড

‘বাবুর বাবা’কে অভিনন্দন জানিয়ে সমালোচনায় অপু বিশ্বাস

Published

on

বিচ্ছেদ হলেও নানা বিষয়ে শাকিব খানকে ঘিরে পোস্ট দেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এমন কি শাকিবের ২য় স্ত্রী শবনব বুবলীকে নিয়েও নানা মন্তব্য করেন তিনি। শাকিবের এই দুই স্ত্রীর পাল্টাপাল্টি ফেসবুক পোস্টে অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তবে এবারই ঘটল ব্যতিক্রম ঘটনা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) এক ফেসবুক পোস্ট দিয়ে রীতিমতো তোপের মুখে পড়েন অপু বিশ্বাস। শেষমেশ পোস্টটি ডিলিট করে দিতে বাধ্য হোন। ঐ পোস্টে দেখা যায়, শাকিব খানের একটি ছবি নিজের টাইমলাইনে যোগ করেছেন অপু। যেখানে আরব আমিরাতের কালচারাল মিনিস্ট্রিতে (সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়) দাঁড়িয়ে আছেন নায়ক।

সঙ্গে ছিলেন দেশটির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। সেই পোস্টে অপু লেখেন, ‘অভিনন্দন বাবুর বাবা।’ তারপরই তাকে নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। বাধ্য হয়ে পোস্টটি ডিলিট করে দেন তিনি।

অন্যদিকে বুবলীকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন নেটিজেনরা। এর কারণ অবশ্য ভিন্ন। দেশে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন বুবলী। অন্যদিকে অপু শাকিব খানের ছবি পোস্ট করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এসআই/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢালিউড

আর্জেন্টিনার জয়ে মেহজাবীনের উচ্ছ্বাস

Published

on

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। নাটকের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজ ও ছবিতে অভিনয় করেও সুনাম কুড়িয়েছেন এ অভিনেত্রী। বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার ভক্ত-অনুরাগীদের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। সাধারণ দর্শকদের পাশাপাশি অভিনেতা-অভিনেত্রীরা রয়েছেন। এ তালিকায় বাদ যায়নি মেহজাবিন চৌধুরীও।

এদিকে, কোপা আমেরিকার ফাইনালে লাউতারো মার্টিনেজের ১১২ মিনিটের গোলে ১-০ গোলের জয়ে নিজেদের ইতিহাসের ১৬তম কোপা আমেরিকার শিরোপা নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা। মেহজাবিন চৌধুরীকেও আর্জেন্টিনা ভক্তদের সঙ্গে জয় উদযাপন করতে দেখা গেল। এ অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রিল শেয়ার করেছে। যেখানে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনা টিমের জয় উদযাপন।’

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের খোলা আকাশের নিচে ধূসর কালারের টি-শার্ট গায়ে মিষ্টি হাসিতে অনুরাগীদের মাঝে ধরা দেন। আর্জেন্টিনার জয়ে বেশ খুশিতে হয়েছে এ অভিনেত্রী। ভক্ত-অনুরাগীদের অনেকেই কমেন্ট বক্সে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘জীবনে বহুকিছু আমাকে হতাশ করেছে। কিন্তু, এই টিমটা কখনো আমাকে হতাশ করেনি। অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন।’

অনেকে মজা করে কমেন্ট করেছেন যে, ‘দল বলে কিছু নেই যে দল ফাইনালে উঠবে সেই দলকে সাপোর্ট দিতে মেহেরাজাবীন উপস্থিত।’

মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।

Advertisement

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢালিউড

বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন রায়হান রাফি

Published

on

বর্তমান সময়ে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় ও আলোচিত নির্মাতা রায়হান রাফি। এখন পর্যন্ত তার নির্মিত সব সিনেমাই জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত বক্স অফিস হিট করা সিনেমা ‘তুফান’।

ব্যক্তিগত জীবনে চিত্রনায়িকা তমা মির্জার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে গণমাধ্যমে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। প্রায় সময়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ছবি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে তাদের সম্পর্ক নিয়ে। গুঞ্জন উঠেছে তারা নাকি বিয়েও করেছেন। যদিও এই এ সম্পর্কের কথা কখনো স্বীকার করেননি তমা-রাফি জুটি। নেটিজনের অনেকেই বলছে, চলতি বছর বিয়ে করবেন তারা। আসলে কি তাই ?

‘তুফান’ সিনেমার আলোচনা-সমালোচনা নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন রায়হান রাফি। এ আলাপচারিতার এক পর্যায়ে উঠে আসে তমা-রাফির প্রেম-বিয়ের প্রসঙ্গ। জানতে চাওয়া হয়, আপনি নাকি অভিনেত্রী তমা মির্জাকে চলতি বছরে বিয়ে করছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে রায়হান রাফি বলেন, এখনো এরকম কোনো পরিকল্পনা নেই। আরও কয়েকটা হিট সিনেমা পরিচালনা করি। তারপর বিয়ে নিয়ে ভাবা যাবে।

বেশ কয়েক বছর ধরেই পরিচালক রায়হান রাফি ও চিত্রনায়িকা তমা মির্জার প্রেমের গুঞ্জন চলছে । তবে এই ব্যাপারে কেউই সরাসরি মুখ না খুললেও কেউ বলছেন ‘উই আর জাস্ট ফ্রেন্ড’—এর চেয়ে একটু বেশি, অন্যজন বলছেন, একই বয়সের হওয়ায় বন্ধুত্ব জমে উঠেছে।

জেড/এস

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত