যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির কারনে সন্ধিক্ষণের মুহুর্তে আছে ডেনমার্ক। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেছেন, ন্যাটোতে আরেক মিত্রকে হুমকি দেওয়ার এমন ঘটনা আগে কখনও হয়নি।
স্থানীয় সময় রোববার (১১ জানুয়ারি) এক রাজনৈতিক সমাবেশে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ঝুঁকির ব্যাপারটি চোখে দেখা বিষয়গুলোর চেয়েও অনেক বড়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর সহযোগিতা থেকে সরে গিয়ে পশ্চিমা জোট থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে পুরো ন্যাটো ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ফ্রেডেরিকসন গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক করবেন। কিছুদিনের মধ্যে ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বৈঠক হবে।
গেল শুক্রবার (৯ জানুয়ারী ) ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নেবে। প্রয়োজনে কঠিন উপায়ে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কিছু একটা করবেন তিনি।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড দুই দেশই ন্যাটোর মিত্র। তারপরও ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব দেশে বারবার সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন দেশের রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেন।
তাতে বলা হয়েছে, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশ হতে চাই না, আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডারদেরই নির্ধারণ করতে হবে।’