শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ এবং উপজেলা জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, গতকাল শেরপুরে যা হয়েছে তা নিন্দনীয়। আচরণবিধি অনুযায়ী সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করতে হবে। এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে জুডিশিয়াল ইনকোয়ার কমিটির রিপোর্টের পর।
সকালে নিহত জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিমের সুরতহাল সম্পন্ন হয়। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মা. মাসুদ জামালী নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
তিনি জানান, নিহতের মাথার পেছন দিকে থ্যাঁতলানো অবস্থা দেখা গেছে। এ ছাড়া, তার কপাল এবং নাকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
প্রসঙ্গত, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) সংসদীয় আসনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে গতকাল বিএনপি জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
আই/এ