আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে একজোট সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের সামরিক তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছে উপসাগরীয় জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)। একই সঙ্গে জোটটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজন হলে তারা সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। 

রোববার (০১ মার্চ) জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক ইরানি হামলায় তাদের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দাবি করা হয়, এসব হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ও আবাসিক এলাকাও টার্গেট করা হয়েছে।

জিসিসির সদস্য দেশগুলো হলো- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, ওমান, কাতার এবং কুয়েত।

এক বিবৃতিতে জিসিসি ইরানের বিরুদ্ধে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। একইসঙ্গে তারা ইরানকে অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে।

এর আগে, পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এ অভিযানে পরে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত হয় বলে জানা যায়। এতে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

হামলার পরপরই ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে। এর ফলে ইসরাইলের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও সৌদি আরবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

এদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের হতাহতের বিষয়ে বিভিন্ন দাবি উঠে এলেও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিয়ে প্রকাশিত তথ্যগুলো এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

 

এসি//

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #ইরান #মধ্যপ্রাচ্য