আর একদিন পরেই ঈদুল আযহা। ঈদের দিন সকালটা মিষ্টি খাবার দিয়ে শুরু হলেও দুপুরে সবাই একটু ভালো-মন্দ খেতে চান। ঈদের দিন বেশিরভাগ বাড়িতেই সাদা পোলাও আর গরুর মাংস রান্না হয়। তবে স্বাদে একটু ভিন্নতা আনতে খাসি কিংবা গরুর মাংস দিয়েই তৈরি করতে পারেন চমৎকার স্বাদের বিরিয়ানি।
মোঘল আমলের এই ঐতিহ্যবাহী খাবারের রয়েছে অনেক প্রকারভেদ। যেমন- কাচ্চি বিরিয়ানি, হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানি, দম বিরিয়ানি ও আফগান বিরিয়ানি। এ বিরিয়ানির নাম গুলো হয়তো অনেকেই শুনেছেন এবং খেয়েছেনও। তবে এই ঈদে দুপুরে খাবার টেবিলে রাখতে পারেন "সুফি বিরিয়ানি"।
সুফি (বা সুফিয়ানি) বিরিয়ানি একটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং সুগন্ধযুক্ত সাদা বা হালকা রঙের বিরিয়ানি। এটি সাধারণত লাল মরিচ বা হলুদের গুঁড়া ছাড়া, কাজু বাদাম, মালাই এবং সুগন্ধি গরম মসলা দিয়ে রান্না করা হয়। নিচে সহজ ও দারুণ সুস্বাদু সুফি বিরিয়ানির রেসিপি দেয়া হলো :
২ কেজি খাসির মাংস ধুয়ে ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিয়ে তাতে পেঁয়াজকুচি, বেরেস্তা, সব বাটা মসলা, গুঁড়া মসলা, গরমমসলা, টক দই আর তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে ৭-৮ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। মাঝেমধ্যে বের করে মেখে নিন।
১ কেজি বাসমতী চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। ফুটন্ত গরম পানিতে লবণ ও ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শেষে চাল ঢেলে ৭৫ ভাগ ফুটিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
বড় প্যানে মাংস বিছিয়ে তাতে আলুবোখারা, কিশমিশ, কাঁচা মরিচ, কিছু ধনেপাতা, পুদিনাপাতা দিয়ে তার উপর ভাত ছড়িয়ে দিতে হবে।
দুধ, ক্রিম, চিনি, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া, গরমমসলার গুঁড়া আর ঘি একসঙ্গে মিশিয়ে ভাতের ওপর ছড়িয়ে দিন। শেষে ধনেপাতা, পুদিনাপাতাকুচি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
ময়দার খামির করে ঢাকনার চারপাশ সিল করে হাঁড়িটি চুলায় দিন।
১০ মিনিট বেশি জ্বাল, ২০ মিনিট মাঝারি জ্বাল আর ৩০ মিনিট অল্প জ্বালে রান্না করলেই তৈরি হয়ে যাবে চমৎকার স্বাদের সুফি বিরিয়ানি।