বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)।
সোমবার (২২ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১২তম দিনে মেহেরপুর-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশে প্রতিদিন গ্যাস সরবরাহে প্রায় ১,১৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট ঘাটতি রয়েছে। আটটি গ্রাহক শ্রেণির অনুমোদিত গ্যাস লোডের ভিত্তিতে বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত গড়ে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২ হাজার ৬৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট।
মন্ত্রী বলেন, নতুন সম্ভাব্য গ্যাসক্ষেত্র চিহ্নিত করতে সিসমিক জরিপ কার্যক্রম চলমান। ব্লক-৭ ও ব্লক-৯ এলাকায় প্রায় ৪,৫০০ লাইন কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক (২ডি) সিসমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এসব তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। এছাড়া হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রের আশপাশে ১ হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ত্রিমাত্রিক (৩ডি) সিসমিক জরিপ শিগগিরই শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও জানান, ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় ৬৬০ বর্গকিলোমিটার, জামালপুরে ৬৫০ বর্গকিলোমিটার, তিতাস, হবিগঞ্জ ও নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্র সংলগ্ন এলাকায় ৬৩২ বর্গকিলোমিটার এবং লামিগাঁও, লালাবাজার, গোয়াইনঘাট, কৈলাশটিলা দক্ষিণ ও ফেঞ্চুগঞ্জ পশ্চিম গ্যাসক্ষেত্র সংলগ্ন কাঠামোতে ৮৮২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় আরও ৩ডি সিসমিক জরিপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল গ্যাস অনুসন্ধান প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে ২ হাজার এবং ১ হাজার ৫০০ অশ্বশক্তি ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি নতুন ড্রিলিং রিগ ক্রয়ের কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আই/এ