দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে আগামী বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতি।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি এলএনজি টার্মিনালে আগুন লেগে গ্যাসের সংকট তৈরি হওয়ায় প্রেক্ষাপটে তারা ৩০ জুলাইয়ের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে।
তবে মালিক সমিতি জানিয়েছে, কমিশন বৃদ্ধিসহ তাদের উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি বহাল থাকবে।
এর আগে ২১ জুলাই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি চার দফা দাবি তুলে ধরে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বর্তমান ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করা, ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম বাড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু করা, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত নেওয়ার প্রথা বাতিল এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভূমি ইজারাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার লাইসেন্স ও নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা জানান, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। কিন্তু গত প্রায় ১১ বছরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম, শ্রমিকের মজুরি, ব্যাংক গ্যারান্টি কমিশন, ঋণের সুদ, ডলারের বিনিময় হার এবং স্টেশন পরিচালনার বিভিন্ন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে দেশের অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন লোকসান গুনে পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
পি/ডি