পটুয়াখালীর বাউফলে দাসপাড়া ইউনিয়নে এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে পরকীয়া অভিযোগ অস্বিকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা। তিনি দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাউফল দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ (৩০ জুলাই) বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। হামলার সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তার ভাষ্য, তাকে কোনো অনৈতিক অবস্থায় কেউ ধরতে পারেনি; ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছে ।
এদিকে পরকীয়ায়র সম্পর্ক থাকা ওই গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম দাবি করেন, ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং অর্থের লোভ দেখাতেন,বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আলোচনা ও সালিশও হয়েছে বলে জানান। এরপরও ফারুক হোসেন তার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন।
ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে । ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আই/এ