জাতীয়

নির্বাচনি ব্যয়ের তথ্য দাখিলে নতুন নিয়ম

বায়ান্ন প্রতিবেদন

নির্বাচনি ব্যয়ের তথ্য দাখিলের ক্ষেত্রে প্রার্থীর পাশাপাশি তার নিয়োগ করা নির্বাচনি এজেন্টের ব্যাংক হিসাব নম্বরও উল্লেখ করার বিধান করেছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ সংশোধন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৯৪-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান পরিবর্তন করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের ফরম-১-এ নির্বাচনি ব্যয় পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাবের তথ্যের সঙ্গে প্রার্থী অথবা তার নিয়োগ করা নির্বাচনি এজেন্টের হিসাব নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাবের পাশাপাশি প্রার্থীর হলফনামা সংক্রান্ত বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। হলফনামার সংযুক্তি-১-এর ক্রমিক ৩(খ)-এর বিশেষ দ্রষ্টব্য অংশে সংশোধন করা হয়েছে। আগে সেখানে নির্দিষ্ট তথ্য ‘সংযুক্ত করিতে হইবে’ বলা থাকলেও নতুন বিধানে তা ‘দাখিল ঐচ্ছিক মর্মে বিবেচিত হইবে’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হলফনামার সংযুক্তি-১-এর ক্রমিক ৩(গ)-এ ‘অভিযুক্ত’ শব্দটির সংজ্ঞাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, আদালত যে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে, তাকেই অভিযুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

এ ছাড়া হলফনামায় স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও নির্ভরশীলদের আয়করসংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার বিষয়টিও ঐচ্ছিক করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালার ক্রমিক ১০-এর বিশেষ দ্রষ্টব্যে বলা হয়েছে, ছকের ক্রমিক ২, ৩ ও ৪-এ উল্লেখ থাকা স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও নির্ভরশীলদের আয়করসংক্রান্ত তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।

নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দের ক্ষেত্রেও সংশোধন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধি ৯-এর উপ-বিধি (১) অনুযায়ী, বিধির অন্যান্য শর্ত মেনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অনুচ্ছেদ ২০-এর দফা (১)-এর অধীন স্থগিত প্রতীক বাদ দিয়ে তালিকাভুক্ত প্রতীকগুলোর মধ্য থেকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী যেকোনো একটি প্রতীক বরাদ্দ করা যাবে।

গেজেটে মোট ১২০টি নির্বাচনি প্রতীকের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ নম্বর প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’কে স্থগিত দেখানো হয়েছে। ফলে সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, স্থগিত প্রতীক বাদ দিয়ে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

 

এসি//

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #নির্বাচনি ব্যয় #বিধান #নির্বাচন কমিশন