দেশজুড়ে

ক্রিকেটারদের লাগেজ চুরির ঘটনায় ৪ জন গ্রেপ্তার

চলন্ত কাভার্ড ভ্যান থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেটারদের লাগেজ চুরির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার চামটা গ্রামের মোজাম্মেল হক (৩২), পুঠিয়া উপজেলার গণ্ডগোহালী জামতলা গ্রামের সোহান রহমান (২৩), বারইপাড়া গ্রামের রুবেল আহমেদ (৩৮) এবং তারাপুর গ্রামের শাহাদত হোসেন (৫২)।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে পুঠিয়ার তারাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার শাহাদত হোসেনের বাড়ি থেকে চুরির  মামালের বড় অংশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে একটি আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স, ৩০০ মার্কিন ডলার, একটি ম্যাসাজ বেড, একটি ল্যাপটপ, চারটি প্লাস্টিকের বাক্স ও নগদ আট হাজার টাকা। এছাড়া চুরির কাজে ব্যবহৃত তালা ভাঙার সরঞ্জাম ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুঠিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের এরই মধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে একটি লাগেজে থাকা ক্রিকেটার এসএম মেহেরব হাসানের তিন লাখ টাকা এখনো উদ্ধার হয়নি।

জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ শেষে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে আকাশপথে রাজশাহী ফেরে বিভাগীয় ক্রিকেট দল। আর বিসিবির একটি কাভার্ড ভ্যানে দলের ৫৪টি লাগেজ ঢাকা থেকে রাজশাহী আনা হচ্ছিল। ভোররাতে নাটোরের হরিশপুর বাইপাস মোড়ে চালক গাড়ির তালা পরীক্ষা করে পুনরায় যাত্রা শুরু করেন চালক সজীব। কিন্তু, ভোর আনুমানিক পাঁচটার দিকে পুঠিয়ার তারাপুর মোড়ে চলন্ত কাভার্ড ভ্যানের পেছন থেকে মোটরসাইকেলে আসা চোরের দল তালা ভেঙে আটটি লাগেজ চুরি করে নিয়ে যায়।

পরে পেছন থেকে আসা আরেকটি গাড়ির চালক বিষয়টি কাভার্ড ভ্যানচালক জানান। তিনি গাড়ি থামিয়ে দরজার তালা ভাঙা ও দরজা খোলা দেখতে পান। পরে হোটেলে লাগেজ নামানোর সময় দেখা যায়, দলের ৫৪টি লাগেজের মধ্যে ৪৬টি রয়েছে। এ ঘটনায় দলের ক্রিকেটার এস এম মেহেরব হাসান নগরের রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর লাগেজ উদ্ধারে মাঠে নামে রাজশাহী ও নাটোর জেলা পুলিশ।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #ক্রিকেটার #লাগেজ