Connect with us

রংপুর

ছাত্রলীগের পদ পেতে নেয়া হলো পরীক্ষা

Avatar of author

Published

on

রংপুরে ‘স্মার্ট লিডারশিপ’ তৈরিতে জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদপ্রত্যাশীদের পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত নেয়া শেষে ১ ঘণ্টায় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। ছয় শতাধিক পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মী পরীক্ষায় অংশ নেন।

শনিবার (১০ জুন) বেলা ১১টায় নগরীর শিশু নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কারাগারের রোজনামচা, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং আমার দেখা নয়া চীন বই থেকে নানা প্রশ্ন করা হয়।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাব্বির আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা সবার কাছে নিয়ে আসেন। ২০২১ সালের অনেক আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণ ও বিশ্বায়নের যুগে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমৃদ্ধিশালী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আর তাই ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকেও স্মার্ট হতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দীক্ষিত হয়ে স্মার্ট নেতৃত্ব দিতে হবে।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কে এম তানিম আহসান চপল বলেন, অনেকে বঙ্গবন্ধুর জীবন-আদর্শ সম্পর্কে জানেন না। কিন্তু তারাও নেতা নির্বাচিত হন। নেতা নির্বাচনের জন্য পরীক্ষার মাধ্যমে তারা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারবেন, শিখতে পারবেন। কারাগারের রোজনামচা ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই থেকে আমরা পরীক্ষা নিচ্ছি। এ পরীক্ষার মাধ্যমে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো।

এএম

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

রংপুর

৭৭ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ

Published

on

গাঁজা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৭৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক বহনকারী প্রাইভেটকার জব্দ করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২১ জুন) নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি রুপ কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে নাগেশ্বরী পৌরসভাধীন কলেজ মোড়ে অস্থায়ী চেকপোষ্ট বসিয়ে গাড়ি চেকিং করতে থাকে একটি টিম।

গাড়ি চেকিং এর এক পর্যায়ে প্রাইভেট কারটি ঘটনাস্থানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চেকপোস্টের অনেকটা দূরে গাড়ি থামিয়ে কৌশলে পালিয়ে যান ড্রাইভারসহ মাদক কারবারিরা। পরবর্তিতে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ প্রাইভেটকারটি জব্দ করে। পরে প্রাইভেটকারের ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে ৭৭ কেজি গাঁজা জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

ওসি রুপ কুমার সরকার বলেন, যেহেতু মাদক ব্যবসায়ীর নাম পাওয়া যায়নি। তাই অজ্ঞাত কয়েক জনের নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। সেই সাথে প্রাইভেটকারটি থানায় আটক রয়েছে এবং প্রাইভেট কারের কাগজপত্র দেখে পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

Published

on

বিপৎসীমা

রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এদিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

শনিবার (২২ জুন) গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সকাল ৯টায় কাউনিয়া পয়েন্ট তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি ধীরগতিতে বাড়ছে। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ইতোমধ্যে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তার অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

এছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানি জেলার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২২ সেন্টিমিটার‌ ও করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, পানি বৃদ্ধির ফলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি চরে অব্যাহত ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে তোষাপাটসহ বিভিন্ন ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে উপজেলার কাপাশিয়া, হরিপুর, শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে অন্তত অর্ধশতাধিক বিঘা ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগও ব্যবস্থায় প্রভাব পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না।

Advertisement

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি  ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় নদী ভাঙন। যা চলতে থাকে সারা বছর। এ কারণ প্রতিবছর অন্তত সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও শত শত একর ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে নদীগর্ভে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল বলেন, তারাপুর, বেলকা, চন্ডিপুর, কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন নদীভাঙন শুরু হয়েছে এবং চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত লিখিতভাবে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা পাওয়া যায়নি। তালিকা পেলে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হক বলেন, উজানের ঢলে গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সুন্দরগঞ্জের তিস্তার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। তবে দুই এক দিনের মধ্যে পানি কমা শুরু করবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনে হুমকির মুখে গ্রামীণ সড়ক

Published

on

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টানা দুই সপ্তাহ ধরে ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বারোমাসিয়া নদীর তীব্র  স্রোতে হুমকির মুখে পড়েছে গ্রামীন সড়ক ।  দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন না করলে এক দুই দিনের মধ্যে বালাতাড়ি এলাকা থেকে গোরকমন্ডল বিজিবি ক্যাম্পসহ ওই দুই গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবারের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২১ জুন) নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি বায়ান্ন টিভিকে নিশ্চিত করেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী।

সরজমিনে দেখা যায়, বারোমাসিয়া নদীর তীব্র স্রোতে ৪শ থেকে ৫শ মিটার গ্রামীন কাঁচা সড়কটি ইতোমধ্যে তিন ভাগ অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এক ভাগ অংশে স্থানীয়রা দিনে কিংবা রাতে দুঘর্টনা থেকে রক্ষা পেতে একটি লাল নিশান সেখানে টাংগিয়ে দিয়েছেন।

সেখানকার মানুষজন বাইসাইকেল ও পাঁয়ে হেঁটে যাতায়াত করছে। তবে অটোবাইকসহ বড় ধরণের যান বাহন চলাচল গত দুই দিন থেকে বন্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুদ ও বাবুল মাস্টার বলেন, নদী গর্ভে বিলীনের হাত থেকে ৫শ মিটার সড়কটি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোড় দাবী করছেন। সড়কটি রক্ষা করতে না পারলে যোগযোগ বিছিন্নসহ  ওই এলাকার অর্ধশতাধিক বাড়ী-ঘর ও শতশত বিঘা ফসলি জমি বারোমাসিয়া নদী গর্ভে যাবে।

Advertisement

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী জানান, টানা দুই সপ্তাহের ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢলে বারোমাসিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঁচা গ্রামীণ সড়কটি নদী গর্ভে বিলীনের পথে।  বিষয়টি তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনুমা তারান্নুম  জানান, গ্রামীণ সড়ক নদী গর্ভে বিলীনের পথে, অথচ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ জানায়নি। তিনি সড়কটি রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে দ্রæত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দেন।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত