Connect with us

রেসিপি

ত্বকের জেল্লায় বেলের শরবত

Avatar of author

Published

on

বেলের-শরবত

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে সারা দেশ। তাই এ সময় শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে শুধু পানি খেলেই হবে না। সঙ্গে খেতে হবে এমন কিছু পানীয় যা পানির ঘাটতি পূরণ করার পাশাপাশি, ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে যাওয়া খনিজের অভাবও পূরণ করে। গরমে তাই বেলের শরবতের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য অনেক বাড়িতেই বেলের শরবত খাওয়ার চল রয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, হজমের গোলমাল সারাতেও এই পানীয় বেশ কাজের।

পুষ্টিবিদেরা বলছেন, এই গরমে ত্বকের জেল্লা ধরে রাখতে বেলের শরবতের জুড়ি মেলা ভার। এই ফলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এই দু’টি উপাদান নিঃসন্দেহে ত্বকের জন্য উপকারী। এ ছাড়া অনেকেই বলেন, ত্বকের নিজস্ব প্রোটিন অর্থাৎ কোলাজেন তৈরিতেও সাহায্য করে বেল। বেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। যা স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য বিশেষ ভাবে প্রয়োজনীয়। এ ছাড়াও অন্ত্র ভাল রাখতে এবং শরীর থেকে ‘টক্সিন’ বার করতে সাহায্য করে বেলের মধ্যে থাকা সহজপাচ্য ফাইবার।

দশ মিনিটে বেলের শরবত তৈরি করবেন যেভাবে-

উপকরণ

বেল: ১টি

পানি: ৫ কাপ

Advertisement

লবন: এক চিমটে

চিনি: ৪ টেবিল চামচ

পুদিনা পাতা: এক মুঠো

বরফের টুকরো: ৩-৪টি

পদ্ধতি

প্রথমে বেল ভেঙে তার ভিতর থেকে শাঁস বার করে একটি পাত্রে রাখুন। এবার শাঁস হাত দিয়ে ভাল করে চটকে নিন। ভিতর থেকে বেলের বীজ বার করে নিন। ছাঁকনির সাহায্যে বেলের ক্বাথ ভাল করে ছেঁকে নিন। এবার বেলের ক্বাথের সঙ্গে চিনি এবং সামান্য লবন মিশিয়ে নিন। যতক্ষণ না চিনি গলে যায় ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। লবন-চিনি গলে গেলে বেলের ক্বাথের সঙ্গে ধীরে ধীরে পানি মিশিয়ে নিতে হবে। ঘনত্ব কেমন রাখতে চান, সেই বুঝে পানি মেশাবেন। এবার কাচের গ্লাসে কয়েক টুকরো বরফ এবং পুদিনা পাতার কুচি দিয়ে তার মধ্যে শরবত ঢেলে নিন। ঠান্ডা ঠান্ডা শবরত পরিবেশন করুন।

Advertisement
Advertisement

রেসিপি

থাইল্যান্ড নয়, ঘরেই বানিয়ে ফেলুন বিখ্যাত ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস

Published

on

মধুমাস মানে রসে মাখামাখি করে আম খাওয়ার দিন। তীব্র গরমে আমের স্বাদ আমাদের এনে দিতে পারে স্বস্তি। এই সময় আম দিয়ে নানান পদ তৈরি করে খাওয়া হয়। শুধু স্বাদ নয়, আম স্বাস্থ্যের জন্যও দারুণ উপকারী।

আম দিয়ে তৈরি নানা রকমের খাবারের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি পদ হলো স্টিকি রাইস। বর্তমানে এটা বিভিন্ন নামি দামি রেস্তোরাঁয় প্রচলিত একটি খাবার হয়ে উঠেছে। কিন্তু চাইলেই খুব সহজে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারবেন মজাদার ও স্বাস্থ্যসম্মত ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস। ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস মূলত জনপ্রিয়তা পেয়েছে থাইল্যান্ড থেকে। খেয়াল করে দেখবেন, আপনার যেসব বন্ধু, বা পরিচিতরা থাইল্যান্ডে বেড়াতে গেছেন তাদের মুখে এই খাবার’টার নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন।

ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস বানাতে লাগবে গ্লুটিনাস রাইস অর্থাৎ বিন্নি চাল। বাংলাদেশে বিন্নি চাল সহজলভ্য। প্রথমে এক কাপ বিন্নি চাল ভিজিয়ে রাখতে হবে ঘণ্টাখানেক। ভেজানো চাল একটি পাতিলে সিদ্ধ করে নিতে হবে আধা ঘণ্টা।

চালগুলো সিদ্ধ হতে হতে বানিয়ে নিতে হবে নারকেলের সস। নারকেলের দুধ নিতে হবে দুই কাপ পরিমাণ। নারকেল বেটেও দুধ বের করে নেওয়া যায়। তবে এ কাজটা বেশি ঝামেলা মনে হলে সুপার শপ থেকে নারকেলের দুধ কিনে নিতে পারেন।

এবার একটি ফ্রাই প্যানে দুই কাপ নারকেলের দুধ, আধা কাপ চিনি, আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে জ্বাল দিতে হবে। চাইলে পছন্দ অনুযায়ী চিনি কম-বেশি করে নিতে পারেন। একটু ঘন হয়ে আসলে সেখান থেকে এক কাপ পরিমাণ নারকেলের সস সরিয়ে আলাদা রাখুন।

Advertisement

এবার প্যানে থাকা সেই নারকেলের দুধে আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা বিন্নি চালের ভাতগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে ঢাকনা বন্ধ করে রেখে দিন ১৫-২০ মিনিট। চুলা সেসময় কিন্তু বন্ধই থাকবে। এই সময়ে বিন্নি চালের ভাতগুলো সুন্দরভাবে নারকেলের দুধের সসের সঙ্গে মিশে মাখামাখা একটা ভাব আসবে। আর এতে করে স্টিকি রাইসের স্বাদ বেড়ে যাবে বহু গুণে।

এবার পরিবেশনের পালা। একটা ঠান্ডা পাকা আম খোসা ছাড়িয়ে স্লাইস করে কেটে নিন। একটা প্লেটে নারকেলের দুধ মাখানো স্টিকি রাইস দিয়ে চারপাশে আমের স্লাইস দিয়ে মনের মতো সাজিয়ে নিন। এরপর আগে থেকে তুলে রাখা নারকেলের সস ও ভাজা তিল দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

মুরগি-ইলিশ-সাবু খিচুড়ি রান্না করবেন যেভাবে

Published

on

খিচুড়ি হলো বাঙালির এক তৃপ্তিদায়ক লোভনীয় খাবার। এই পদ শুধু রসনার তৃপ্তি নয়, এ হলো বাঙালির চিরন্তন ভালোবাসা, বাসনা। চালে-ডালে যে ফুটন্ত রসায়ণ তৈরি হয়, তাতে ফোড়ন পড়ে তৈরি হয় অমৃত। শীত-গ্রীষ্ম, বর্ষা, সহজ রান্নায় খিচুড়ি আমাদের ভরসা। বর্ষণমুখর দিনেও রান্না ঘরে চলুক ‘খিচুড়ি অ্যালার্ট’। রইল একাধিক ভিনস্বাদের রেসিপি।

মুরগির মাংসের ভুনা খিচুড়ি

উপকরণ-

পিয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ

১০টি লবঙ্গ

Advertisement

২ টুকরো দারচিনি

৫ টি এলাচ

১ টি তেজপাতা

আদা বাটা ১ টেবিল চামচ

রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ

Advertisement

জিরেগুঁড়ো দেড় চা চামচ

হলুদগুঁড়ো ১ টেবিল চামচ

ধনেগুঁড়ো ১ চা চামচ

মুরগির মাংস

পোলাওয়ের চাল ৩ কাপ

Advertisement

মুসর ডাল ও মুগ ডাল দেড় কাপ

গোটা জিরে

কাঁচা লঙ্কা

নুন-চিনি

প্রণালী-

Advertisement

একটি প্যানে ৩-৪ টেবিল চামচের মতো তেল দিয়ে গরম মশলা (১০টি লবঙ্গ, ৫ টি এলাচ, ২ টুকরো দারুচিনি, তেজপাতা ১টি ) ফোড়ন দিন। এবার পিয়াজ কুঁচি দিয়ে ভেজে নেবেন। এতে ১ টেবিল চামচ আদাবাটা, ১ টেবিল চামচ রসুনবাটা, দেড় চা চামচ জিরেগুঁড়ো, ১ টেবিল চামচের মতো হলুদগুঁড়ো, ১ চা চামচ ধনেগুঁড়া, দেড় চা চামচের মতো লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে কষিয়ে নেবেন। তেল ছেড়ে এলে স্বাদমতো নুন দিয়ে মুরগির মাংস দিয়ে কষিয়ে নেবেন।

এবার পোলাওয়ের চাল, মুসর ডাল ও মুগ ডাল (মুগ ডাল ভেজে নিতে হবে) দিয়ে ভেজে নেবেন। এরপর ৮ কাপ গরম পানি এবং হাফ কাপ দুধ দিয়ে দেবেন। কিছুক্ষণ ঢেকে রাখবেন। এবার ৫-৬ টি কাঁচালঙ্কা দিয়ে ৪-৫ চা চামচ পরিমাণ ঘি দেবেন। খিচুরি আধঘণ্টার জন্য দমে দিয়ে মাঝে মাঝে একটু নেড়ে দেবেন। সবশেষে আঁচ নিভিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে নামিয়ে পরিবেশন করুন মুরগির মাংসের ভুনা খিচুড়ি।

ইলিশ খিচুড়ি

উপকরণ-

মুগ ডাল- ১ কাপ, মুসুরের ডাল- ১ কাপ, বাসমতী চাল- ৪ কাপ, ইলিশ মাছ- দেড় কেজি, সয়াবিন তেল- ১/৩ কাপ, সর্ষের তেল- ১/৩ কাপ, দারচিনি- ৩টি, এলাচ- ৫টি, তেজপাতা- ২টি, শাহি জিরে- ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ, হলুদের গুঁড়ো- ১ চা চামচ, নুন- স্বাদ মতো, লঙ্কার গুঁড়ো- স্বাদ মতো, আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ, কাঁচা লঙ্কা।

Advertisement

প্রণালী-

মাঝারি আঁচে মুগ ডাল ভেজে নিন। হালকা লাল হতে শুরু করলে নামিয়ে নিন। চালের সঙ্গে দু’ধরনের ডাল মিশিয়ে ধুয়ে রেখে দিন পানি ঝরানোর জন্য। ইলিশ মাছ টুকরো করে স্বাদ মতো নুন ও ১ চা চামচ করে হলুদ ও লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে মেখে নিন। হাঁড়িতে দু’ধরনের তেল একসঙ্গে গরম করে ইলিশ মাছের টুকরো গুলো ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে মাছ উঠিয়ে সেই তেলেই দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা ও শাহি জিরে দিয়ে দিন। এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন। পেঁয়াজ নরম হয়ে গেলে আদা বাটা, রসুন বাটা, লঙ্কার গুঁড়ো ও হলুদের গুঁড়ো দিয়ে নাড়তে থাকুন। ৩-৪ টেবিল চামচ পানি দিন। কষানো হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল-ডালের মিশ্রণ ও স্বাদ মতো নুন দিয়ে নেড়ে নিন। ভেজে নেওয়া হলে ১০ কাপ গরম পানি দিন। ফুটে উঠলে ওভেন মিডিয়ামে করে ঢেকে দিন হাঁড়ি। পানি শুকিয়ে খানিকটা ভেজা থাকা অবস্থায় হাঁড়ির অর্ধেক খিচুড়ি উঠিয়ে মাছগুলো দিয়ে দিন। দমে রাখুন ১০ মিনিট। নামিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম।

সাবুর খিচুড়ি

উপকরণ-

সাবুদানা, গাজর, আলু সেদ্ধ ছোট চৌকো করে কাটা, ২-৩ টি কাঁচালঙ্কা, ১/২ টমেটো কুচিঁ, ২টেবিল চামচ কারিপাতা, ১চা চামচ গোটা জিরে, ১চা চামচ আদাবাটা, স্বাদ অনুযায়ী সন্ধক নুন, ২টেবিল চামচ তেল/ঘি, স্বাদ মতো মিষ্টি, ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো

Advertisement

প্রণালী-

সাবু দানা খুব ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে যাতে স্টার্চ না থাকে। এবার সাবুদানা পানিতে ভিজিয়ে ২-৩ঘন্টা রাখুন। সাবু ফুলে দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এবার বাড়তি পানি ঝড়িয়ে রাখতে হবে। আলু সেদ্ধ করে কেটে নিন। টমেটো, গাজর ছোট টুকরো করে কাটতে হবে। আদা বেটে নিন। এবার প্যনে ঘি/তেল দিয়ে গরম হলে জিরে ফোড়ন দিন। ভাজা গন্ধ বেরলে কারিপাতা দিয়ে নেড়ে চেড়ে গাজর কুচি দিয়ে অল্প ভেজে আলু ও আদা কুচি দিয়ে ভাজতে হবে। এই সময় আন্দাজমত নুন দিতে হবে। টম্যাটো ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে মিষ্টি দিতে হবে। এবার সাবুদানা দিয়ে হালকা হাতে নাড়তে হবে। ঢাকনা বন্ধ করে ফুটতে দিন মিনিট খানিক। সবজি দিয়ে এই সাবুর খিচুড়ি দারুণ লাগে উপোস মুখে।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

ওজন ঝরাতে নাস্তায় যে ৫ খাবার খাবেন

Published

on

সকালের নাস্তা

সময় মেনে অফিসে ঢুকলেও বেরোনোর কোনও ঠিক থাকে না। ফলে ঠিক সময়ে খাওয়াদাওয়াও হয় না। কিন্তু দিনভর কাজ করতে হলে শরীর তো চাঙ্গা রাখতেই হবে। তাই ঠিকঠাক খাবার খাওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে সকালের নাস্তাটাই খেতে হবে পেট ভরে।

অফিসে বেরোনোর তাড়াহুড়োয় সকালে অনেকেই ইনস্ট্যান্ট নুডল্‌স, পাস্তা, কিংবা আগের দিনের বেঁচে যাওয়া কোনও খাবার খেয়ে নেন, যা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। অনেকেই আবার খালি পেটেই অফিসে চলে যান, যা শরীরের পক্ষে আরও খারাপ। ওজন বাগে রাখতে পেট ভরবে অথচ ক্যালোরিও বাড়বে না, এমন প্রাতরাশ করতে হবে। অল্প ক্যালোরির মধ্যে সুস্বাদু কোন খাবার রাখতেই পারেন সকালের নাস্তার টেবিলে।

মুগ ডাল চাট

অঙ্কুরিত গোটা মুগ ডালে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, টম্যাটো, লেবু মিশিয়ে চাট বানিয়েও খেতে পারেন। এক বাটি চাটে ১০০ ক্যালোরি যায় শরীরে।

মশলা অমলেট

তিনটে ডিমের সাদা অংশ এবং একটা ডিমের হলুদ অংশ ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে মিশিয়ে দিন পালং শাক কুচি, পেঁয়াজ কুঁচি, টম্যাটো কুচি, লবন, গোলমরিচ। খুব ভাল করে ফেটিয়ে নিয়ে নিন মিশ্রণটি। ফ্রায়িং প্যানে খুব সামান্য তেলে ভেজে নিন অমলেট। এতে প্রায় ২৫০ ক্যালোরি থাকে। সঙ্গে একটা মাল্টিগ্রেড পাউরুটি খেতে পারেন।

ওটস উত্থাপম

ওটসের গুঁড়ো, সামান্য সুজি, দই, পানি মিশিয়ে একটি ঘোল তৈরি করে নিন। আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর সেই মিশ্রণে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, টমেটো কুচি, ক্যাপসিকাম কুচি, ধনেপাতা কুচি আর লবন মিশিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নিন। এবার অল্প তেলে প্যান কেকের মতো ভেজে নিন। একটা ওটস উত্থাপমে প্রায় ১২৫ ক্যালোরি থাকে।

Advertisement

ওটস

মুগ ডালের চিলা

সবুজ মুগ ডাল সারা রাত ভিজিয়ে রেখে পরের দিন পানি ঝরিয়ে বেটে নিন। এবার ডালের মিশ্রণে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, নুন, ক্যাপসিকাম কুচি আর সামান্য পানি দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এবার অল্প তেলে প্যান কেকের মতো ভেজে নিন। পুদিনার চাটনির সঙ্গে গরম গরম খেতে পারেন মুগ ডালের চিলা। একটা চিলা খেলে প্রায় ১৫০ ক্যালোরি শরীরে যায়।

ওটসের কাটলেট

ওটস খানিকটা পানিতে ভিজিয়ে সেই মিশ্রণটি মিক্সিতে বেটে নিন, তারপর তাতে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, টমেটো সব ধরনের মশলা দিয়ে টিক্কির আকারে গড়ে নিন। অল্প তেলে ভাল করে ভেজে নিলেই তৈরি সুস্বাদু খাবার। একটি মাঝারি মাপের টিক্কিতে ৮৬ ক্যালোরি থাকে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত