Connect with us

জাতীয়

জনগণের পাশে থাকাই আওয়ামী লীগের রাজনীতি: ড. হাছান

Published

on

অন্য কোনো রাজনীতি নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এখন জনগণের পাশে থাকাই আওয়ামী লীগের রাজনীতি। বললেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে মাজার রোডের টালি কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের দারুস সালাম থানার আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, 'বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব গতকাল (বুধবার) অনলাইনে উঁকি দিয়ে টিভির পর্দায় যেভাবে করোনা নিয়ে কথা বললেন, তাতে মনে হলো, তিনি করোনা বিশেষজ্ঞ। তিনি ঢাকা কলেজে পড়াতেন জানতাম। কিন্তু তিনি মনে হচ্ছে ১৪ মাসের মধ্যে এফআরসিএস পাশ করে ফেলেছেন, করোনা মহামারিতে বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছেন, সেটি আমরা বুঝতে পারিনি।' 

'মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন, সরকার না কি বাংলাদেশে করোনার শুরুতে বুঝতে পারেনি, অথচ, বাংলাদেশে করোনা মহামারির শুরু থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সময়োচিত পদক্ষেপের কারণে মহামারির গত ১৪ মাসে কেউ অনাহারে মৃত্যুবরণ করেনি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে করোনা মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ শীর্ষ ও করোনাপীড়িত গতবছরে ধ্বনাত্মক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী বিশ্বের মাত্র ২০ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানের অধিকারী' জানান ড. হাছান। 

তবুও দুর্মুখদের মুখ থেমে নেই উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা টিভির পর্দায় আর অনলাইনে উঁকি দিয়ে প্রতিদিন সরকারের সমালোচনাই করছে।' 

Advertisement

অপরদিকে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মহামারিতে জনগণের পাশে থাকাই আওয়ামী লীগের রাজনীতি এবং দেশব্যাপী দলের নেতা-কর্মীরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে, বলেন ড. হাছান।

মন্ত্রী এসময় করোনায় আক্রান্ত বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করে বলেন, 'আমরা মহান স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি, তিনি দ্রুত সুস্থ হোন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার শারিরীক অবস্থা ও মানবিক বিবেচনায় আদালতে তার জামিন না হওয়া সংবিধানে প্রদত্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা বলে তাকে মুক্তি দিয়ে সেটি দুই দফা বর্ধিত করেছেন, তার সুবিধা অনুযায়ী তিনি চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।'

'কিন্তু বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় মনে হয়, দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নাই, তাদের মাথাব্যথা শুধু বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে' উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, 'একটি রাজনৈতিক দলের রাজনীতি যদি শুধু তাদের নেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়েই আবর্তিত হয়, তাহলে সেটি জনগণের রাজনৈতিক দল নয়।'

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের দারুস সালাম থানার সভাপতি এ বি এম মাজহারুল আনামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দলের মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি । দলের দারুস সালাম থানা শাখার নেতা মো: গিয়াসউদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় এক হাজার করোনাপীড়িত পরিবারের হাতে খাদ্য ও বস্ত্রের প্যাকেট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

এস

Advertisement
Advertisement

জাতীয়

এখন সংলাপের নামে নতুন প্রহসন করছে সরকার : সমন্বয়ক নাহিদ

Published

on

শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়ে সরকার উদ্ভূত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর দায় সরকারেরই। সরকার আলোচনার কোনো পরিস্থিতি রাখেনি।এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে। বললেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে ফেসবুক দেয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

নাহিদ বলেন, যদি এখনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজপথ থেকে সরানো না হয়; যদি হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেয়া হয়, যদি এখনো গুলি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে। কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির নামেও কোনো প্রহসন মেনে নেয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে। ক্যাম্পাসগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের উপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে৷ বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকুন।

বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে দাবি করে নাহিদ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

Advertisement

তিনি আরও বলেন, আমাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেপ্তার অথবা গুম করে ফেলতে পারে। আপনারা কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

ঢাকা মেডিকেলে সাংবাদিকসহ ৬ জনের মরদেহ

Published

on

ঢাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ নিহত ছয়জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া।

তিনি জানান, নিহত ছয়জনের মরদেহ বর্তমানে ঢামেক মর্গে রাখা আছে।

জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে একজন ঢাকা টাইমসের নিজস্ব প্রতিবেদক মেহেদি হাসান (২৮)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারের কাছে সংবাদ সংগ্রহের কাজ করছিলেন মেহেদি।

Advertisement

বাকিদের মধ্যে আছেন কাজলার এক রিকশাচালক, শনির আখড়া এলাকার দোকানি ওয়াসিম (৪০), যাত্রাবাড়ীর ক্যামিকেল ব্যবসায়ী নাজমুল (২৮) ও আজিমপুরের মোহাম্মদ আলী (২২)। এ ছাড়াও গতকাল শনির আখড়ায় সংঘর্ষে আহত হয়ে ঢামেকের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ইকবাল (২২)।

উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ‘ইঙ্গিতপূর্ণ’ বক্তব্যকে ঘিরে গত রোববার মধ্যরাত থেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের ছাত্রসমাজ। এরপর সোম, মঙ্গল ও বুধবার টানা তিনদিন সারা দেশে ছাত্র আন্দোলন জোরালো হয়ে ওঠে। আন্দোলন দমাতে পুলিশের পাশাপাশি ছাত্রলীগও মাঠে নামে। এতে সোমবার ও মঙ্গলবার সারা দেশে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। মঙ্গলবার একদিনেই ৩ শিক্ষার্থীসহ ৬ জন মারা যান। এদের মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদকে পুলিশ নিরস্ত্র অবস্থায় সামনাসামনি গুলি করে হত্যা করে।

অন্যদিকে, এসব হত্যার ঘটনায় গতকাল বুধবারও আন্দোলন-সংগ্রামে উত্তাল ছিল রাজপথ। গতকাল সন্ধ্যায় এ নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু সেই ভাষণেও সমস্যার কোনো সমাধান দেয়া হয়নি দাবি করে এবং প্রতিটি হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনকারীরা আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ

Published

on

রাজধানীর রামপুরায় বিটিভি ভবনে আন্দোলনকারীদের দেওয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ায় রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিটিভিতে কর্মরত একাধিক সাংবাদিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, বিটিভির মূল ভবনের নিচতলায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মূল স্ক্রিনে তারা কালো দাগ দেখতে পান। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সম্প্রচার বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

অবশ্য এর আগে বিটিভির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য সহযোগিতা কামনা করে এক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করছি। ভেতরে আটকা পড়েছেন অনেকে।’

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত