Connect with us

রেসিপি

সবথেকে সহজ উপায়ে জর্দ্দা তৈরি

Avatar of author

Published

on

সহজ

বিয়ে বাড়িতে কিংবা বিশেষ দাওয়াতে গেলে খাওয়ার শেষ পাতে যে খাবারটি দেয়া হয় সেটি হলো জর্দ্দা। আবার অনেকে এটাকে “জর্দা পোলাও”ও বলে থাকে।

‘জর্দা পোলাও’ ফারসি ভাষায় ‘জারদ’ শব্দ থেকে উদ্ভূত বলে জানা যায়। যার আক্ষরিক অর্থ হলুদ এবং এই খাবারটির রঙও কমলা-হলুদ বর্ণের। কথিত আছে যে, মুঘলরা এই বিশেষ খাবারকে ভারতীয় উপমহাদেশে নিয়ে এসেছিল। প্রকৃতপক্ষে আইন-ই-আকবরি অর্থাৎ সম্রাট আকবরের জীবনীতেও ‘জারদ বিরঞ্জ’ সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে যা  আসলে জর্দা পোলাওর প্রথম দিকের সংস্করণ।

আজকে আপনাদের জন্য রইলো সবথেক সহজ উপায়ে জর্দ্দা তৈরির রেসিপি।

উপকরণ

১ কাপ পোলাও’র চাল

২ কাপ পানি

Advertisement

১.৫ টেবিল চামচ ঘি

১টি বড় তেজপাতা

৪টি এলাচ

২টি দারচিনি

৪টি লবঙ্গ

Advertisement

১ টেবিল চামচ কিসমিস

১ টেবিল চামচ কাজু বাদাম কুচি

১ টেবিল চামচ পেস্তা বাদাম কুচি

৩ টেবিল চামচ চিনি ( মিষ্টি বেশি খেলে বেশি দিতে পারেন)

১/২ চা চামচ জর্দ্দার রঙ

Advertisement

২ টেবিল চামচ গুড়া দুধ

১/৪ চা চামচ কেওড়া জল/ গোলাপ জল।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে একটি পাত্রে ১টেবিল চামচ ঘি দিয়ে গরম হলে তারমধ্যে তেজপাতা, লবঙ্গ,এলাচি, দারচিনি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এরপর ধুয়ে রাখা পোলাও’র চাল এরমধ্যে দিয়ে ভালোমতে ভেজে নিন। ভাজা হলে তারমধ্যে ২ কাপ পানিতে জর্দ্দার রঙ মিশিয়ে ভাজা চালের মধ্যে দিয়ে ঢাকনাসহ মিডিয়াম আঁচে বসিয়ে দিন। চাল  প্রায় সিদ্ধ হয়ে এলে এ পর্যায়ে চিনি মিশিয়ে ঢেকে দিয়ে তাওয়ার উপর দমে বসিয়ে দিন। চাল পুরো সিদ্ধ হয়ে গেলে তারমধ্যে গুড়ো দুধ মিশিয়ে দিন এবং সেই সাথে কেওড়া জল। অন্য একটি ফ্রাই পেনে বা কড়াইয়ে আধা টেবিল চামচ ঘি দিয়ে তারমধ্যে কিসমিস,কাজু বাদাম এবং পেস্তা বাদাম ভেজে নিয়ে জর্দ্দার উপর ছড়িয়ে দিন। এরপর আপনার পছন্দসই বাটিতে পরিবেশন করুন। আকর্ষণীয় করতে এরমধ্যে আপনি দোকান থেকে কিনে আনা ছোট ছোট মিষ্টি দিয়েও পরিবেশন করতে পারেন।

আজই বাসায় রান্না করে সবাইকে দুপুরের কিংবা রাতের খাবারের পর পরিবেশন করুন সবথেকে সহজ উপায়ে তৈরি সু-স্বাদু এই জর্দ্দার রেসিপি।

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

রেসিপি

হাঁসের মাংসের ঝাল কোরমা

Published

on

হাঁসের

সবসময় ডায়েট বা ক্যালোরি নিয়ে ভাবতে কার ভালো লাগে! বিশেষ কোনো দিনে বা অতিথি আপ্যায়নে মাংসের পদ না থাকলেই যেন নয়। হাঁসের মাংস বিভিন্নভাবে রান্না করা হয়, কখনো নারিকেল দুধ দিয়ে, কখনো হয়তো আলু দিয়ে ঝোল। আর সেটা যদি হয় হাঁসের মাংসের ঝাল ঝাল কোরমা, তাহলে তো সবাই চেটেপুটে খাবেই! আর এটা বেশ তাড়াতাড়ি ও ঝামেলাবিহীনভাবে রান্না করা যায়। চলুন তাহলে জেনে নেই, হাঁসের মাংসের স্পাইসি কোরমার সবচেয়ে সহজ রেসিপিটি।

হাঁসের মাংসের কোরমা রান্নার পদ্ধতি

উপকরণ

হাঁসের মাংস- ১ কেজি

আলু– ৩টি

Advertisement

তেজপাতা, এলাচ, দারচিনি- ২টি করে

গোটা গোলমরিচ- ১ চা চামচ

পেঁয়াজ বাটা- ৩ চা চামচ

রসুন থেঁতো করা- ৪ কোঁয়া

রসুন বাটা- ২ চা চামচ

Advertisement

আদা বাটা- ২ চা চামচ

জিরা বাটা- ১ চা চামচ

ধনিয়া গুঁড়া- ১ চা চামচ

হলুদ গুঁড়া- ২ চা চামচ

লালমরিচ গুঁড়ো- ২ চা চামচ

Advertisement

কাঁচামরিচ বাটা- ১ চা চামচ

টকদই– ১ কাপ

লবণ- স্বাদ অনুযায়ী

কাজুবাদাম পেস্ট- ২ চা চামচ

টমেটো পিউরি- ২ চা চামচ

Advertisement

জায়ফল ও জয়িত্রী গুঁড়ো- সামান্য

শুকনো খোলায় টেলে নেওয়া জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ

তেল- ১/২ কাপ

প্রস্তুত প্রণালী

১) প্রথমে হাঁসের মাংস ধুয়ে নিয়ে কাঁচামরিচ বাটা, টকদই ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন ২০ মিনিটের জন্য।

Advertisement

২) এবার একটি বড় প্যানে তেল গরম করে তাতে গোটা গোলমরিচ, তেজপাতা, এলাচ ও দারচিনি ফোঁড়ন দিয়ে থেঁতো করা রসুন ও পেঁয়াজ বাটা দিয়ে দিন।

৩) তারপর একে একে রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। সামান্য পানি দিতে হবে, যাতে মসলা না পুড়ে যায়।

৪) মসলা কষানো হলে তাতে ধনিয়া গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, লালমরিচ গুঁড়ো ও লবণ দিতে হবে।

৫) এরপর মেরিনেট করে রাখা হাঁসের মাংস ও টুকরো করে রাখা আলু দিয়ে দিন। মাঝারী আঁচে মাংস ও আলু মসলাগুলোর সাথে খুব ভালোভাবে কষিয়ে নিন।

৬) এবার টমেটো পিউরি, কাজুবাদাম পেস্ট আর বাকি টকদইটুকু দিয়ে নেড়ে নিন।

Advertisement

৭) মাংস ও আলু সেদ্ধ হওয়ার জন্য পরিমাণমতো পানি দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ২০ মিনিট মাঝারী তাপে রান্না করুন।

৮) ঝোল একটু ঘন হয়ে গেলে জায়ফল-জয়িত্রী গুঁড়ো ও শুকনো খোলায় টেলে নেওয়া জিরা গুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে।

৯) ৫ মিনিট দমে রাখলেই রান্না শেষ! অনেকেই বলেন, হাঁসের মাংস সেদ্ধ হতে একটু সময় লাগে। কিন্তু কোরমার এই রেসিপিতে টকদই ব্যবহার করা হয়। আর এতেই মাংস তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হবে।

স্পেশাল মেন্যু হলেও হাঁসের কোরমা রান্না করা কিন্তু কঠিন না। খুব সহজেই বাসায় মজাদার এই আইটেমটি রান্না করতে পারেন। পোলাও, খিচুড়ি কিংবা নানের সাথে দারুণ মানিয়ে যাবে হাঁসের মাংসের ঝাল কোরমা।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

শাহী মাটন রেজালা রেসিপি

Published

on

মাটন

বাঙালিদের কাছে উৎসব মানেই পোলাও, মাংসের নানা রকম পদ। যেকোনো স্পেশাল অকেশনে বা বিশেষ দিন উদযাপনে মাটন না থাকলে বাঙালিদের বলেই না। কাচ্চি, ভুনা, ঝাল ফ্রাই- মাটনের কত ডিশই তো খেয়েছেন। আজ শেয়ার করবো শাহী মাটন রেজালা তৈরির রেসিপি। রেজালা হলেও মিষ্টি স্বাদের না, ঝাল ঝালই হবে খেতে; এটিকে মাটনের ঝাল রেজালাও বলতে পারেন। চলুন রেসিপিটি জেনে নেয়া যাক।

কী কী উপকরণ লাগবে? 

মাটন- ১ কেজি

আদা বাটা- ২ চা চামচ

রসুন বাটা- ১.৫ চা চামচ

Advertisement

পেঁয়াজ বাটা- ৩ টেবিল চামচ

জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ

ধনিয়া গুঁড়ো- ১.৫ চা চামচ

জায়ফল, জয়ত্রী গুঁড়ো- ১ চা চামচ (শুকনো তাওয়ায় টেলে গুঁড়ো করে নেয়া)

বাদাম বাটা- ১ চা চামচ

Advertisement

টকদই- হাফ কাপ

গোটা গরম মসলা (এলাচ, দারুচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ)- ২টি করে

পেঁয়াজ বেরেস্তা- হাফ কাপ

কাঁচা মরিচ- ৬/৭টি

লাল মরিচের গুঁড়ো- ৩ চা চামচ

Advertisement

হলুদ- ২ চা চামচ

তেল– ৩ টেবিল চামচ

ঘি- ২ চা চামচ

লবণ- স্বাদ অনুযায়ী

শাহী মাটন রেজালা কীভাবে তৈরি করবেন?

Advertisement

১) প্রথমে মাটন পছন্দমতো সাইজে পিস করে নিন এবং ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

২) এবার টকদই, আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, লবণ ও মরিচের গুঁড়ো দিয়ে মাটন ভালোভাবে মেরিনেট করুন। ১ ঘন্টা অপেক্ষা করুন।

৩) বড় কড়াইয়ে তেল গরম করুন এবং গোটা গরম মসলা ফোঁড়ন দিন। এতে মেরিনেট করা মাটন দিয়ে নাড়াচাড়া করুন।

৪) এক এক করে হলুদ, জিরা গুঁড়ো ও বাকি মসলাগুলো দিন। শুধু কাঁচা মরিচ, বাদাম বাটা, বেরেস্তা পরে দিতে হবে। অনেকে রেজালার গ্রেভি সাদা রাখতে চান। এক্ষেত্রে হলুদ গুঁড়ো স্কিপ করতে পারেন।

৫) চুলার আঁচ মিডিয়াম রেখে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। দরকার হলে পানি অ্যাড করুন যাতে মসলা পুড়ে না যায়।

Advertisement

৬) ভালোভাবে কষানো হলে দু’কাপ গরম পানি যোগ করুন যেন মাটন ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে যায়। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মিডিয়াম হিটে রান্না করুন ৩০ মিনিট, মাঝে মধ্যে একটু নেড়ে দিন।

৭) এবার এতে কাঁচা মরিচ, বাদাম বাটা, পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে দিন। গ্রেভি ঘন হয়ে গেলে ও মাংস সেদ্ধ হয়ে আসলে বুঝবেন প্রায় কমপ্লিট আপনার রান্না।

৮) লাস্টে ঘি ছড়িয়ে দিন। ৫-১০ মিনিট দমে রাখুন লো হিটে।

এবার উপরে ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। পোলাও, পরোটা, সাদা ভাত যেকোনো কিছু দিয়েই সার্ভ করতে পারেন। এবারের ঈদে ট্রাই করুন এই মজাদার ঝাল ঝাল শাহী মাটন রেজালা। আজ এই পর্যন্তই। ভালো থাকবেন।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

রেস্টুরেন্ট স্টাইলে থাই স্যুপ বাসাতে রান্না করুন

Published

on

স্যুপ খেতে সবারই কম বেশি ভালো লাগে। এক বাটি গরম ধোঁয়া ওঠা স্যুপ মন ভালো করে দিতে পারে সহজেই। কিন্তু এই স্যুপ খাওয়ার জন্য কি সবসময় রেস্টুরেন্টই যেতে হয়? কেমন হয় যদি এই মজাদার স্যুপ খুব সহজেই বাসায় বানানো যায়? আজকে শেয়ার করব রেস্টুরেন্ট স্টাইলে থাই স্যুপের রেসিপি।

যা যা উপকরণ লাগবে

মুরগির ব্রেস্ট পিস-১/৪ কাপ

মাঝারি সাইজের চিংড়ি-৭/৮ পিস

বড় সাইজের মাশরুম-৪/৫ পিস

Advertisement

ডিমের কুসুম- ৩টি

আদা বাটা- ১/২ চা চামচ

রসুন বাটা- ১ চা চামচ

লঙ্কা গুড়ো- ১/২ চা চামচ

গোলমরিচ গুড়ো- ১/২ চা চামচ

Advertisement

চিলি সস- ১ চা চামচ

রসুন কুচি- সামান্য পরিমান

সয়া সস- ১ চা চামচ

টমেটো সস- ২ চা চামচ

চিনি– ১ চা চামচ

Advertisement

লেবুর রস- ১ চা চামচ

কর্ণফ্লাওয়ার- ৩ চা চামচ

কাঁচামরিচ- ৩/৪ টা

থাই আদা- ১/২ চা চামচ কুচি

লেমন গ্রাস- পরিমানমতো

Advertisement

লবণ- স্বাদমতো

চিকেন স্টক- ২ কাপ

যেভাবে তৈরি করবেন রেস্টুরেন্ট স্টাইলে থাই স্যুপ

১. মুরগির মাংস লম্বা করে কেটে ধুয়ে নিন। একই ভাবে চিংড়িগুলোকেও ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এবার একটি বাটিতে মুরগির মাংস ও চিংড়িগুলো নিয়ে এতে একে একে  আদা বাটা, রসুন বাটা, লঙ্কা গুড়ো, গোলমরিচ গুড়ো, স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালো করে মিক্স করে নিন।

২. অন্য একটি বাটিতে ৩টি ডিমের কুসুম নিয়ে এতে এক এক করে চিলি সস, সয়া সস, টমেটো সস, চিনি, লেবুর রস, লবণ, কর্ণফ্লাওয়ার ও ৩ চামচ চিকেন স্টক দিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন।

Advertisement

৩. এবার চুলায় একটি বড় সাইজের কড়াই বসিয়ে তাতে তেল দিন। তেল গরম হয়ে আসলে রসুন কুচি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এরপর ম্যারিনেট করে রাখা মাংস ও চিংড়ি দিন এবং সাথে কিছু কাঁচামরিচ ও মাশরুম দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন।

৪. কিছুক্ষণ ভেজে নেয়ার পর এতে অ্যাড করুন ২ কাপ চিকেন স্টক। এরপর আগে থেকে তৈরি করে রাখা সস ও লেমন গ্রাস দিয়ে ভালো ভাবে ফুটিয়ে রান্না করে নিন।

৫. স্যুপ ভালোভাবে কুক হয়ে গেলে এবং থিকনেস আপনার পছন্দমতো হয়ে গেলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন এই মজাদার রেস্টুরেন্ট স্টাইলে থাই স্যুপ।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত