Connect with us

রেসিপি

ঘরেই বানান চাউমিন মসলা

Avatar of author

Published

on

চাউমিন মসলা

চাউমিন খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে। নানা রকমের সবজি, ডিম কখনো বা মাংস দিয়ে বানানো হয় চাউমিন। এক এক বাড়িতে এক এক রকম ভাবে চাউমিন বানানো হয়। যার স্বাদ সত্যি অনবদ্য। তবে আজ আপনাদের চাউমিন রান্না নয় জানাবো ঘরেই চাউমিন মসলা বানানোর সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। চাউমিন বানানোর পর সামান্য এ মসলা উপর থেকে ছড়িয়ে মিশিয়ে দিলে স্বাদটাই যায় বদলে।

আসুন জেনে নেই কি কি লাগবে আর কিভাবে বানাবেন এ চাউমিন মসলা-

উপকরণঃ

গোলমরিচ ১ চা চামচ
তেজপাতা ৫টা
শুকনো মরিচ ৪টে
পাঁচফোড়ন এক চা চামচ

চাউমিন মসলা

প্রস্তুত প্রণালি:

কড়াই গরম করে তাতে সবার প্রথমে শুকনো মরিচ দিন। কম আঁচ রাখবেন। তারপর তেজপাতা, গোলমরিচ আর পাঁচফোড়ন যোগ করুন। কয়েক মিনিট ড্রাই রোস্ট করুন। খেয়াল রাখবেন যেন কোন উপকরণ পুড়ে না যায়। তাই ক্রমাগত নাড়তে থাকবেন। ৩-৪ মিনিট মত সময় লাগবে উপকরণের আদ্রতা চলে যেতে। তারপর এগুলো সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা হতে দিন। ঠাণ্ডা হলে শিলে বা মিক্সারে মসলা গুঁড়ো করে মিহি পাউডার বানিয়ে নিলেই হবে।

খুব সামান্য কয়েকটি জিনিস দিয়ে কত সহজে একটা সুন্দর চাউমিন মসলা তৈরি হয়ে গেল। ট্রাই করে দেখতে পারেন আপনারাও। চাউমিন মসলা বানানোর উপকরণের যে পরিমাপ এখানে লেখা হচ্ছে তাতে করে একমাসের বেশি সময়ের জন্য চাউমিন মসলা তৈরি হয়ে যাবে। আপনারা চাইলে আপনাদের সুবিধা মত উপকরণের পরিমান কমবেশি করে নিতে পারেন।

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

রেসিপি

রুই মাছের ডিমের কাবাব রেসিপি

Published

on

মাছের কাবাব তো অনেকেই খেয়েছেন। মাছের ডিম দিয়ে তৈরি কাবাব কি খেয়েছেন? মাছের ডিমের কাবাব! আজ ভিন্ন স্বাদের রুই মাছের ডিমের কাবাব তৈরির পদ্ধতি জানাবো। খুবই সহজ ও সুস্বাদু! তো চলুন, জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন মাছের ডিমের কাবাব।

উপকরণ

রুই মাছের ডিম- ৩ কাপ

পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ

কাঁচামরিচ কুচি- ৩ চা চামচ

Advertisement

চিলি ফ্লেকস- ১ চা চামচ

হলুদ গুঁড়া- ১ চা চামচ

জিরা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ

কাবাব মসলা- ১/২ চা চামচ

লেবুর রস- সামান্য

Advertisement

লবণ- পরিমাণমতো

তেল– ভাজার জন্য

চালের গুঁড়া অথবা কর্ণফ্লাওয়ার- ১/২ কাপ

প্রস্তুত প্রণালী

১. প্রথমে একটি পাত্রে মাছের ডিমের সাথে একে একে সব উপকরণ মিশিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখবো।

Advertisement

২. তারপর মাখানো মাছের ডিম কাবাবের শেইপ করে নিতে হবে।

৩. এবার একটি প্যানে তেল গরম করে তাতে কাবাবগুলো দিয়ে অল্প আঁচে বাদামী করে ভেজে নিবো।

৪. এরপর নামিয়ে গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সাথে পরিবেশন করুন রুই মাছের ডিমের কাবাব।

এই কাবাব খেতে যেমন মজাদার, বানানোও খুব সহজ। তো আজই তৈরি করুন এবং উপভোগ করুন ভিন্নধর্মী এই কাবাবটি।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

তাওয়া পোলাও রেসিপি

Published

on

ইন্ডিয়ান স্ট্রিট ফুডগুলোর মধ্যে তাওয়া পোলাও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। এই পোলাও রান্না করা হয় অনেক বড় একটি তাওয়ায় খুবই নিপুণতার সাথে, যার কারণে এটি মূলত তাওয়া পোলাও নামে পরিচিত। ঘরে বসেই যদি বানিয়ে নেয়া যায় এই মজাদার খাবারটি তাহলে খারাপ কি! চলুন দেখে নেই রেসিপিটি।

তাওয়া পোলাও রান্নার উপকরণ

বাসমতী চাল- ১ কাপ

পেঁয়াজ কুঁচি- বড় ১ টি

টমেটো কুঁচি- ২ টি

Advertisement

ক্যাপসিকাম কুঁচি- ১ টি

সবুজ মটর- ১ কাপ

কাঁচামরিচ কুঁচি- ১ টি

লবণ- স্বাদমত

চিনি- ১/২ চা চামচ

Advertisement

মাখন- ৪ টেবিল চামচ

ধনেপাতা কুঁচি

লাল শুকনো মরিচ- ৪০ টি

রসুন- ৫ কোয়া

লবণ- ৩ টেবিল চামচ

Advertisement

রান্নার প্রণালী

চুলোয় ২ কাপ পানি সিদ্ধ করে নিন। একটি বোলে মরিচ নিয়ে তাতে সিদ্ধ পানি দিয়ে রেখে দিন ১০ মিনিটের জন্য। এবার পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর ব্লেন্ডারে মরিচ ও রসুন একসাথে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। প্রয়োজনমত পানি দিন মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য। হয়ে গেলে একটি বাটিতে নিয়ে তাতে লবণ মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রেখে দিলে এটি অনেকদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

এবার আসি তাওয়া পোলাও রান্নায়-

১. বাসমতী চাল ধুয়ে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর চাল রান্না করে নিন। রান্না করার সময় অল্প লবণ দিয়ে নিবেন। খেয়াল রাখবেন যাতে ভাত ঝরঝরে হয়। হয়ে যাওয়ার পর নামিয়ে এক পাশে রেখে ঠাণ্ডা হতে দিন।

২. একটি তাওয়ায় বাটার দিয়ে নিন। চিলি-গারলিক পেস্ট দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ রান্না করুন। তারপর পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচামরিচ কুঁচি, টমেটো দিয়ে দিন। সব একসাথে মিক্স করে রান্না করতে থাকুন।

Advertisement

৩. লবণ ও চিনি দিয়ে দিন। মটর ও ক্যাপসিকাম দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া দিয়ে দিন।

৪. সব শেষে রান্না করা ভাত দিয়ে দিন। ৫-৮ মিনিট রান্না করুন।

এবার হয়ে গেলো তাওয়া পোলাও। এটি যে কোন কারি দিয়ে বা এমনিতেই খেতে পারবেন।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রেসিপি

চিকেন টিকিয়া তৈরির রেসিপি

Published

on

চিকেন খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। মুরগি দিয়ে কত রকমের মজাদার খাবার যে তৈরি হয় রসনাবিলাসী বাঙালিদের হেঁসেলে! সাধারণত বিফ কিংবা মাটন দিয়ে টিকিয়া বানানো হয়। কিন্তু চিকেন দিয়েও খুব সহজ রেসিপিতে মজাদার টিকিয়া বানিয়ে নেয়া যায়! যারা কাবাব, টিক্কা বা কাটলেট জাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করে, তাদের জন্য রইল চিকেন টিকিয়া বানানোর পুরো রেসিপি।
উপকরণ
মুরগির বুকের মাংস বা চিকেন ব্রেস্ট পিস- ৫০০ গ্রাম
ছোলার ডাল- ১/২ কাপ
আদা বাটা- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুঁচি- ১ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ কুঁচি- ১ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
ডিম- ১টি
গরম মসলার গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
তেল- ভাজার জন্য
প্রস্তুত প্রণালী
১. প্রথমে সামান্য পানি দিয়ে ছোলার ডাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। আর মুরগির বুকের মাংস মিহি কিমা করে নিন।
২. এবার একটি প্যানে তেল দিয়ে গরম করে তাতে লবণ, চিকেন কিমা, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা গুঁড়ো ও গরম মসলার গুঁড়ো দিয়ে দিন।
৩. সব মসলার সাথে মুরগির মাংসের কিমা খুব ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। চিকেন কিমা সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিন।
৪. মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এতে সেদ্ধ করে রাখা ছোলার ডাল মিশিয়ে দিন।
৫. তারপর একে একে পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচামরিচ কুঁচি ও গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।
৬. একটি ডিম ফাটিয়ে নিয়ে চিকেনের মিশ্রণে যোগ করুন। সব উপকরণ একসাথে চটকিয়ে নিতে হবে।
৭. এবার হাতের তালুতে একটু তেল মেখে চিকেনের এই মিশ্রণ থেকে একটু করে নিয়ে টিকিয়ার আকারে শেইপ দিয়ে দিন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী ছোট বা মাঝারী আকারে টিকিয়ার শেইপ করে নিবেন।
৮. অন্যদিকে একটি প্যানে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে আসলে টিকিয়াগুলো আস্তে আস্তে এতে ছেড়ে দিন।
৯. চিকেন টিকিয়াগুলো ডীপফ্রাই করতে পারেন অর্থাৎ ডুবো তেলে ভাজতে পারেন। আবার অল্প তেল দিয়েও ফ্রাই করে নিতে পারেন।
১০. মাঝারী আঁচে টিকিয়াগুলো ভেজে নিন। একপাশ ভাজা হয়ে গেলে সাবধানে উলটিয়ে দিন।
১১. যেহেতু ছোলার ডাল ও মুরগির কিমা আগেই সেদ্ধ করে নেওয়া, তাই খুব বেশি সময় ধরে ভাজার দরকার নেই! গোল্ডেন কালার হয়ে গেলেই তেল থেকে নামিয়ে কিচেন টিস্যুতে রাখুন।
ব্যস, চিকেন টিকিয়া তৈরি হয়ে গেলো! পোলাও, খিচুড়ি বা গরম গরম ভাতের সাথে এটি দারুণ মানিয়ে যাবে। আবার বিকালে স্ন্যাকস হিসাবেও পছন্দের সসের সাথে পরিবেশন করতে পারবেন সুস্বাদু এই আইটেমটি।
জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত