ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনে কোনো দেশ প্ররোচনা দিলে বা সহযোগিতা করলে সেই দেশকে সরাসরি ‘বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
শনিবার (০৭ মার্চ) দেয়া এক বিবৃতিতে এই সতর্কবার্তা জানান ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেকারচি।
তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি কোনো দেশের ঘাঁটি, আকাশপথ বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে, তবে সেই স্থানগুলোই ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের প্রতি ইঙ্গিত করে শেকারচি বলেন, যে দেশই শত্রুপক্ষকে তাদের ভূমি বা আকাশপথ ব্যবহারের সুযোগ দেবে, তারা সরাসরি ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠবে। তার ভাষায়, ইরান আগেই ঘোষণা করেছে—যেখান থেকেই তাদের বিরুদ্ধে হামলার সূচনা হবে, সেই স্থানকেই বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে ইরানের ভূখণ্ডে হামলার জন্য ব্যবহৃত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হেনে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের এই অবস্থান বাস্তবেও দেখিয়েছে।
এ সময় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের নীতিগত অবস্থানও তুলে ধরেন শেকারচি। তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান সব সময়ই প্রতিবেশী দেশগুলোর ক্ষতি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছে এবং এই নীতিতে তারা অটল থাকবে। তার মতে, মুসলিম দেশগুলোর নিরাপত্তা ইরানের নিরাপত্তার সঙ্গেই গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং ইরান সব সময় তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, যেসব দেশ তাদের আকাশপথ, ভূমি বা সম্পদ শত্রুপক্ষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করবে না, তাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই। তবে যারা প্রতিপক্ষকে সুবিধা দেবে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ
এসি//