আন্তর্জাতিক

কাতারে গ্যাস স্থাপনায় হামলা, বড় ধরণে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের শঙ্কায় বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে   দুবার মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান এ গ্যাসক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতে এলএনজি সরবরাহ করা হয়। যা এসব দেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প কারখানার ব্যবহার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা সিএনএন।

কাতার এনার্জি জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি কেন্দ্র রাস লাফান এলএনজি হাবটি ১২ ঘণ্টার মধ্যে দুইবার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্তহয়েছে। বৈশ্বিক এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহকারী কাতারএনার্জির রপ্তানি ইতোমধ্যেই হরমুজ প্রণালীর অবরোধে আটকে ছিল এবং এর আগে একটি হামলার পর ২ মার্চ উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয় ডেটা ও অ্যানালিটিক্স কোম্পানি উড ম্যাকেঞ্জির জানিয়েছ, সাম্প্রতিক যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ যে বিঘ্নিত হয়েছে। গত বুধবারের ওই হামলার পর  সেটি এখন দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা এলএনজির প্রায় ৯০ শতাংশ এশিয়ায় সরবরাহ করা হয়েছিল এবং এই চালানগুলোর ওপর বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল।

আইইএ-এর মতে,এ ঘটনায় বাংলাদেশ আরও বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারে, কারণ দেশটির মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের অর্ধেকই আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে।

উড ম্যাকেঞ্জির মতে, সরবরাহ সংকট সারা দেশ জুড়ে ব্যাপক গ্যাস রেশনিং শুরু করেছে,” এবং পোশাক প্রস্তুতকারকরা উল্লেখযোগ্য উৎপাদন হ্রাসের সম্মুখীন হচ্ছেন।

 

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #কাতার #বিদ্যুৎ সংকট