আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর অবাধ চলাচল এবং সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশীয় খামারিদের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। বলেছেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
রোববার (০৩ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, পশুবাহী ট্রাকে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাদা পোশাকের সদস্যরা সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবেন।
মন্ত্রী বলেন, এবার সারাদেশে ৩ হাজার ৬০০টির বেশি পশুর হাট বসার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে থাকছে মোট ২৭টি হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সহায়তায় এসব হাটে ২০টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় এবার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পশুর হাট না বসানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছ। বিদেশি পশু প্রবেশ করে যাতে বাজার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পারে সেজন্যেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেনে উৎসাহিত করতে অনলাইনে পশু বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনলাইনে কোরবানির পশু কেনা-বেচায় কোনো ধরনের হাসিল বা খাজনা দিতে হবে না।
এছাড়া চামড়া শিল্পকে রক্ষা করতে এবং অপচয় কমাতে পেশাদার ও অপেশাদার কসাইদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এমএ//