যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে লেবানন সেনাবাহিনীর একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, একজন ক্যাপ্টেন ও একজন সেনাসদস্য রয়েছেন।
শনিবার (০৬ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
লেবানন সেনাবাহিনীর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, খারদালি-নাবাতিয়েহ সড়কে একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালায়। এতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওয়াসসাম সাবরা, ক্যাপ্টেন এলি খুরি এবং সেনাসদস্য হুসেইন গোজাল নিহত হন।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হামলাটি একটি “সক্রিয় যুদ্ধাঞ্চলে” চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য, ওই এলাকায় চলাচলের জন্য ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন ছিল। তবে ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।
অন্যদিকে লেবানন সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, “ইসরাইলের ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত আগ্রাসন সংকট সমাধানের সব প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।”
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই হামলাকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের “স্পষ্ট লঙ্ঘন” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম ইসরাইলি হামলাকে “জঘন্য অপরাধ” উল্লেখ করে বলেন, এটি শুধু সেনাবাহিনীর ওপর নয়, পুরো লেবাননের ওপর হামলার শামিল। তিনি নিহত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওয়াসসাম সাবরা, ক্যাপ্টেন এলি খুরি ও সেনাসদস্য হুসেইন গোজালের পরিবার এবং লেবানন সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এমএ//