১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ বলেছেন, আর একটা বিষয় আমরা প্রতিবাদও করতে চাই। সচিবালয় হলো একটা নির্বাহী জায়গা। এখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক হবে, শীর্ষ ফোরামের বৈঠক হবে, এটা অতীত রেকর্ডে আমাদের জানা নেই। এই যে কাজটি তারা করছেন, তাহলে তারা গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রমের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি এসব কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া কোনো নির্বাচন হোক, ১১ দলীয় জোট তা চায় না। গণতন্ত্র চর্চার নতুন ধারা সৃষ্টি এবং গণতন্ত্রকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্যই তারা রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দিয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সরকার এবং সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে সাধারণত সরকারি দলেরই একক প্রার্থী থাকে। এখানে প্রতিনিধিত্ব হয় না। একটি মাত্র ইতিহাস বা রেকর্ড আছে, ১৯৯১ সালে যখন সংসদে কারও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। তখন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে বিএনপির ১৪২ জন সংসদ সদস্য ছিল। পরে নারী আসন যোগ হয়েছে। সেখানেও দেখা গেছে, এককভাবে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বিজয়ী করার মতো সংসদ সদস্য ভোটার বিএনপির ছিল না।
তিনি আরও বলেন, সে সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংসদের বিরোধী দল ছিল। তারা একজন প্রার্থী দিয়েছিল, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, যার নাম আপনারা জানেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ওই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাসকে জামায়াতসহ অন্যান্য সমর্থক সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেছিলেন। এরপর আর কখনো বিরোধী দল থেকে কোনো প্রার্থী এই পদে হয়নি।
এ জামায়াত নেতা বলেন, ১১ দলীয় জোট এমন একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছেন, যিনি জাতীয়ভাবে পরিচিত, বিতর্কের ঊর্ধ্বে এবং দেশের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি তিনবার মন্ত্রী ছিলেন, ছয়বার এমপি ছিলেন। তিনি পিএইচডি হোল্ডার, উচ্চ ডিগ্রিধারী এবং দেশের জন্য অনেক অবদান রেখে গেছেন।
আই/এ