অভিনয়জীবনের দীর্ঘ পথচলায় একের পর এক সম্মাননা পেয়েছেন রানী মুখার্জি। এবার সেই অর্জনের তালিকায় যুক্ত হলো আরও একটি বিশেষ স্বীকৃতি। ক্যারিয়ার ও সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অস্ট্রেলিয়ার লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেয়েছেন ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) মেলবোর্নে আয়োজিত ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব মেলবোর্নের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে রানী মুখার্জির হাতে সম্মাননার সনদ তুলে দেওয়া হয়। জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অভিনেত্রী।
সম্মাননা পাওয়ার পর লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রানী।
তার মতে, এই স্বীকৃতি শুধু একজন ভারতীয় অভিনেত্রীর জন্য নয়, ভারতীয় চলচ্চিত্রের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সিনেমা এমন একটি মাধ্যম, যা ভাষা, সংস্কৃতি ও ভৌগোলিক সীমারেখা পেরিয়ে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করতে পারে।

অভিনয়জীবনে নানা ধরনের চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরেছেন রানী মুখার্জি। কখনো কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি একজন নারীর চরিত্রে, আবার কখনো সাহসী ও দৃঢ়চেতা নারীর ভূমিকায় দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছেন তিনি।
‘ব্ল্যাক’, ‘মার্দানি’ এবং ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’র মতো সিনেমায় তার অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। চরিত্রের বৈচিত্র্য ও অভিনয়ের দক্ষতায় ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন এই অভিনেত্রী।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা। এবার সেই অর্জনের মুকুটে যুক্ত হলো অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট।
অভিনয়ের স্বীকৃতির পাশাপাশি এই সম্মান যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল—সিনেমা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, মানুষের ভাবনা, অনুভূতি ও সংস্কৃতিকে একে অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও শক্তিশালী একটি সেতু।
এসি//