স্বামী-স্ত্রী দুজনই চাকরিজীবী হলে তাদের কর্মস্থল কাছাকাছি, সম্ভব হলে একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার (0৮ সেপ্টেম্বর) সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১-এর আওতায় আনা জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ৬৪টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৪টি কেন্দ্র আগে থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে আরও ২০টি কেন্দ্র।
তিনি জানান, দেশজুড়ে আরও ৬০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে পরিচালিত কেন্দ্রগুলোতে ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী ৪ হাজার ৫০টি শিশুকে তাদের মায়েদের অফিস চলাকালীন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।
এ ছাড়া কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার জন্য বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে স্তন্যপান করানোর কেন্দ্র রয়েছে। আরও ১১টি স্তন্যপান কেন্দ্র স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি আরও ১২টি কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হলে মোট ৬৪টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রেই কর্মজীবী মায়েদের জন্য স্তন্যপানের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
এসি//