নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বন্দর নিয়ে চুক্তি করতে ডিপি ওয়ার্ল্ড আরও সময় চায়। প্রয়োজন হলে নির্বাচনের পরেও নেগোসিয়েশন চলবে। তবে কতিপয় লোক পুরো বন্দরকে জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে। আন্দোলন দমনে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে চটগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল নিয়ে চুক্তির প্রতিবাদে চলমান ধর্মঘট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বলেন, বন্দরের কতিপয় লোক এখন নতুন নতুন দাবি নিয়ে আসছেন। আর কয়েকদিন পরে নির্বাচন। বন্দরের সঙ্গে তারা একটি ঝামেলা করতে চায় এ সময়ে। এটা নির্বাচন কমিশনের দেখার ব্যাপার। সিইসিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিনি অনুরোধ করেছেন। কারণ নির্বাচনটা যদি চট্রগ্রামে ঠিকমতো না হয় এটা নিয়ে সমগ্র দেশের নির্বাচন নিয়ে কথা উঠবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এরকম যদি করতে থাকে এবং একই সময় তারা পুরো বন্দর জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে কতিপয় লোক। এখানে সামনে রোজা, আমরা যেখানে প্রতিনিয়ত অভিযান চলছে। সেখানে আউটার জাহাজে পড়ে আছে ছোলা, ডাল, তেল। তারা এভাবে ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি রেখেছে। এটা চলতে দেওয়া যায় না।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান দাবি করেছেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থা স্বাভাবিক। শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনি ব্যবস্থা নেবে।’
তিনি বলেন, একটি পক্ষ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। কোনও অবস্থাতেই নির্বাচন বিঘ্নিত করা যাবে না।
আই/এ