জাতীয়

নির্বাচনের সময় কত টাকা বহন করা যাবে, জানালো ইসি

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন ঘিরে চলাফেরা ও অর্থ বহনের সীমা নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া নানা প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ বিষয়ে কথা বলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি জানান, নির্বাচনের সময় নাগরিকদের অর্থ বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমা বা ‘সিলিং’ নির্ধারণ করা হয়নি।

আখতার আহমেদের জানান, “যদি অর্থের উৎস এবং তা ব্যবহারের খাত বৈধভাবে দেখানো যায়, তবে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহন করলেও কোনো আইনি সমস্যা নেই।”

তিনি বলেন, ব্যক্তিগত কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নাগরিকরা নিয়ম মেনে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবেন। তবে সেই অর্থ যদি নির্বাচনি পরিবেশ প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, তাহলে কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

ইসি সচিব আরও বলেন, ভোটারদের প্রভাবিত করা বা অবৈধ নির্বাচনি প্রচারণায় অর্থ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি সরাসরি ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’র নজরে আনা হবে।

অন্যদিকে, বহন করা অর্থের উৎস অবৈধ হলে বা কালো টাকা হিসেবে চিহ্নিত হলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেবে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের মাঠে কালো টাকার প্রভাব ঠেকাতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বৈধ ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ যাতে বৈধ অর্থ বহনে হয়রানির শিকার না হন, সে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষ করে বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলোতে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে অর্থের উৎস যাচাই করা হচ্ছে।

ইসি মনে করছে, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে অর্থের অপব্যবহার রোধ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে ভোটারদের সচেতন থাকার পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

এমএ//

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #ইসি #নির্বাচন কমিশন