পবিত্র নগরী মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে পবিত্র দুই মসজিদ, হাজি, নাগরিক ও নিজেদের ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার ‘বৈধ অধিকার’ রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি সংবাদমাধ্যম সৌদি গ্যাজেটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলাটিকে ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। মক্কার মতো মুসলমানদের পবিত্র নগরীকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা বিশ্বের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে উসকানি দেওয়ার শামিল বলেও বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
সৌদি সরকারের দাবি, পবিত্র স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার ক্ষেত্রে হুতিদের কর্মকাণ্ড এবার নতুন নয়। মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি হুতিদের দ্বিতীয়বার হামলার চেষ্টা বলেও জানিয়েছে রিয়াদ। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করেছিল হুতিরা।
সৌদি আরবের দাবি, রয়্যাল সৌদি এয়ার ডিফেন্স ফোর্সের তৎপরতায় এবারও হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। মক্কার নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়।
এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হুতিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। বিশেষ করে পবিত্র স্থান, বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল ও বাণিজ্যের নিরাপত্তার জন্য হুতিদের হুমকি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পবিত্র দুই মসজিদ ও হাজিদের পাশাপাশি দেশের ভূখণ্ড, নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সৌদি আরবের রয়েছে।
এমএ//