ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার সময় মুম্বাইতে বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে আটক করা হয়েছে। চলমান আন্দোলন দমনে একদিনে ৪০০ জনকে মুম্বাই থেকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া দিল্লিতে একদিনে ১৫০০ জনকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
শনিবার (১০ আক্টোবর) মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দান থেকে তাকে আটক করে মুম্বাই পুলিশ।
আটকের আগে খান জানান, চলাফেরার স্বাধীনতায় কেন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে এবং কেন মানুষের কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করা হচ্ছে—তা জানতেই তিনি এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর (ANI) প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি বলেন, “কারও কাছে কোনো দাবি জানানোর মতো অবস্থানে আমি নেই। কোনো সংগঠনের সঙ্গেও আমি যুক্ত নই। আমি এখানে কেবল একজন প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি।”
এদিকে আটককৃতদের মুক্তি না দিলে আবারও অনশনে বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন , দেশে এক ধরনের "অঘোষিত জরুরি অবস্থা" চলছে।
তিনি লেখেন, "গতকাল আজকের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শান্তি ও ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বার্তা দেওয়ার সময় আমি কল্পনাও করিনি যে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এমন এক 'অঘোষিত জরুরি অবস্থার' কবলে পড়বে।"
সিইসি (CEC)-বিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানানো ওয়াংচুক দিল্লির সেই বিক্ষোভে সশরীরে অংশ নিতে পারেননি। তিনি বলেন, "আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এতজন নেতা থাকায় আমি খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু এখন জানতে পারছি যে তাঁদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
আই/এ