প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে পুলিশের গাড়িতে ভাংচুর আও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। যারা বলছেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে কেন? কিন্তু কেন প্রশ্ন তুলছেন না, শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অগ্নিসন্ত্রাসকে মোকাবিলা করতে জামায়াত-এনসিপি মাঠে নাই কেন?
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্টে দেয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এ কথা বলেন।
রাশেদ খাঁনের পোস্টের হুবহু বায়ান্ন টিভির পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
গাজীপুরে পুলিশের ৩ গাড়িতে আগুন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলা, বিভিন্ন জায়গায় বাস ও গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠানে আগুন, সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর কি শ্রমিক আন্দোলন? আর যারা বলছেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে কেন? কিন্তু কেন প্রশ্ন তুলছেন না, শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অগ্নিসন্ত্রাসকে মোকাবিলা করতে জামায়াত-এনসিপি মাঠে নাই কেন? তাহলে কি, রাজপথ আওয়ামীলীগের দখলে নেওয়ার জন্য সুশীলতা দেখিয়ে উন্মুক্ত করে দিতে হবে?
সরকারের কাছে স্পষ্ট তথ্য রয়েছে যে, আওয়ামীপন্থী গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা গার্মেন্টস কর্মীদের উস্কিয়ে মাঠে নামিয়েছে। ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের গভীর ষড়যন্ত্র আছে। আওয়ামীলীগের এই ষড়যন্ত্রকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার বিকল্প নেই। বরং গণঅভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে জামায়াত- এনসিপিকে বলবো, উস্কানি না দিয়ে দেশ বাঁচাতে মাঠে নামুন।
আওয়ামীলীগের ষড়যন্ত্র মানে আরেকটি ১/১১ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা। এই অপচেষ্টা রুখে দেওয়া কি সকলের দায়িত্ব না? ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে পতিত শক্তির ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে আবারও বাংলাদেশপন্থী শক্তিকে একযোগে মাঠে নামতে হবে। রাজপথ ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রাজপথ কখনো শূন্য থাকে না, কেউ না কেউ দখলে নেয়। বিএনপি দখলে না রাখতে পারলে ফাঁকা মাঠ ষড়যন্ত্রকারীরা দখলে নিয়ে নিবে।
পরিশেষে, আওয়ামীলীগের পাতা ফাঁদে পা না দিতে সাধারণ শ্রমিকদের প্রতি অনুরোধ করছি। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতে বিএনপি সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আই/এ