Connect with us

রংপুর

আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার বিচারের দাবিতে মানব বন্ধন

Avatar of author

Published

on

আওয়ামী লীগ

কুড়িগ্রামে ছাত্রলীগের হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম সোহান হত্যাকান্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে নিহত সোহানের সহপাঠি, ব্যবসায়ী ও সর্বসাধারণ বিভিন্ন ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানব বন্ধনে অংশ নেয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এসএম ছানালাল বকসী, যুবলীগ নেতা আনিছুর রহমান চাঁদ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল বোসসহ ব্যবসায়ী ও স্বজনরা।

মানব বন্ধন থেকে এ নির্মম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সকলকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

গত শুক্রবার সন্ধায জেলা শহরের খলিলগন্জ এলাকার কনভেনশন সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রাইভেট জিপগাড়ীতে দুই ছাত্রলীগ নেতার দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কা দেয়। এতে দুই ছাত্রলীগ নেতা আহত হওয়ার খবর পেয়ে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজভী কবির বিন্দু ও পলিটেকনিক ছাত্রলীগ সভাপতি ঝিনুক মিয়া তাদের সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং  জিপে থাকা শরিফুল ইসলাম সোহানকে বেধরক পিটিয়ে হত্যা করে।

Advertisement

এঘটনায় শুক্রবার নিহত শরিফুল ইসলাম সোহানের স্ত্রী রোজিনা পারভীন বাদী হয়ে হয়ে সদর থানায ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে সেদিনই সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রেজভী কবির বিন্দু ও পলিটেকনিক ছাত্রলীগ সভাপতি ঝিনুক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত দুই ছাত্রলীগ নেতাকে আদালতের মাধ্যমে ৩ দিনের রিমান্ডে নেয পুলিশ।

Advertisement

রংপুর

সীমান্তবর্তী মানুষের দুর্ভোগ কমাতে চালু হলো ভাসমান সেতু

Published

on

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা জিঞ্জিরাম নদীর ওপর একটি ভাসমান সেতু নির্মান করা হয়েছে হয়েছে। এতে  উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার চারটি গ্রামের পাঁচ  হাজার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যম এ সেতুর উদ্বোধন করেন।

জানা যায়, রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়ারচর, চর বায়োলমারী গ্রামের তিন পাশে জিঞ্জিরাম নদী।  অপরপাশে রয়েছে ভারতের কাঁটাতার বেস্টিত সীমান্ত। গ্রাম দুটিতে প্রায় তিন হাজারের অধিক মানুষের বসবাস। এ ছাড়াও নদী ও ভারত বেষ্টিত ওই গ্রাম দুটির মানুষের পশ্চিম কাউয়ারচর, ধর্মপুর গ্রামে কৃষি জমি রয়েছে। তাই ফসল চাষাবাদের জন্য তাঁদেরকে প্রতিদিন নদী পার হতে হয়। বছরের পর বছর ধরে এ এলাকার বাসিন্দারা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় নিয়ে ঝুঁকির মধ্য নৌকায় পারাপার হয়ে আসছিল।

১২০ফুট দৈর্ঘ্যের এই ভাসমান সেতু নির্মানের ফলে তাদের সেই দুর্ভোগের অবসান হল।

স্থানীয় বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম বলেন, সেতুটি নির্মাণ হওয়ার ফলে বিজিবি সীমান্তে তাঁদের টহল জোরদার করতে পারবে। এত সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান কমে আসবে।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুলি আখতার বলেন, ছোট ছোট বাচ্চারা নৌকা করে স্কুল যেতো। নৌকা না পেলে সময় মতো স্কুল যেতে পারতো না।এখন পায়ে হেঁটে বাচ্চারা ঠিক মতো স্কুল যেতে পারবে।

মোখলেস মিয়া বলেন, কৃষি পণ্য নিয়ে বাজার যাওয়া অনেক কষ্ট ছিল। রোগী নিয়েও ভোগান্তি পোহাতে হতো। সাময়িক ভাবে ভাসমান সেতু হওয়ায় এই কষ্ট কমবে। তাঁরা এখানে স্থায়ী একটি সেতু চান।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি বিপ্লব হাসান পলাশ বলেন, প্রত্যন্ত ও সীমান্ত এলাকার মানুষ যেন সরকারের উন্নয়ন বঞ্চিত না হয় সেজন্য ভাসমান সেতু দিয়ে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। আগামীতে সেখানে স্থায়ীভাবে সেতু নির্মাণ করা যায় কিনা সেই বিষয় উদ্যোগ নেয়া হবে।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে বন্যায় কৃষকের ক্ষতি ১০৫ কোটি টাকা

Published

on

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। পানির নিচ থেকে ভেসে উঠছে পাট, পটল, আমন বীজতলা ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত। দ্বিতীয় দফায় দীর্ঘ স্থানীয় বন্যায় জেলার ৯ উপজেলায়  কৃষিতেই ক্ষতি হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা। এছাড়া প্রায় ৫০ হাজার কৃষক এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বায়ান্ন টিভিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যার পানির প্রবল স্রোতে গ্রামাঞ্চলের কাঁচা পাকা সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করছে মানুষজন। এসব গ্রামীণ কাঁচাপাকা সড়ক ও ঘর বাড়ির ক্ষতি নিরুপনে কাজ করছে সরকার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের সিতাই ঝাড় এলাকার কৃষক ছমির আলী বলেন, তাঁর এক বিঘা জমির পটলের আবাদ শেষ। এখনো বাড়ির চারিদিকে পানি। আমন বীজতলা করতে পারছেন না। আমন আবাদও মনে হয় এবার করা হবে না তাঁর।

একই এলাকার কৃষক মোস্তাফা বলেন,বন্যার পানি এখনো জমি থেকে নামেনি। অথচ বীজতলা করার সময় শেষের দিকে। এবার এলাকার কৃষক কেমন করে আবাদ করবে সে চিন্তায় তাদের দিন কাটছে।

Advertisement

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ পর ব্রহ্মপুত্রসহ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত সব নদ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  এ মুহূর্তে বন্যার কোন পূর্বাভাস নেই।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জনদুর্ভোগ

ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচ, বিক্রি হচ্ছে যে দামে

Published

on

দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সংকট সমাধানে ভারত থেকে এলো ২১৬ টন কাঁচা মরিচ। দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রতিদিন ১০-১২ ট্রাক কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও রোববার (১৪ জুলাই) ২২টি ভারতীয় ট্রাকে ২১৬ মেট্রিকটন আমদানি হয়েছে। সরকার আমদানির অনুমতি দেয়ার পর এটি সর্বোচ্চ পরিমাণ আমদানি।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে তীব্র সংকট দেখা দেয়ায় আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি করেছেন। তা-না হলে গত বছরের মতো দাম গিয়ে ঠেকবে ৭০০ টাকায়। তাদের দাবি ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রদেশে বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে ক্ষেতে পানি জমে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রপ্তানি মূল্য বাড়িয়েছেন দেশটির রপ্তানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক সেলিম হোসেন গণমাধ্যমে জানান, অতি বৃষ্টি আর বন্যার কারণে দেশে কাঁচা মরিচের উৎপাদন নেই বললেই চলে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা বন্দরে ভিড় জমাচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় অনেক পাইকার ফেরত যায়। তাই আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের মতো ভারত অভ্যন্তরের বিভিন্ন প্রদেশের বন্যা দেখা দেয়ায় সেখানে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে সে দেশের রপ্তানিকারকরা রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব গণমাধ্যমে জানান, আগে প্রতিদিন ১০-১২ গাড়ি করে কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও রোববার ২২টি ভারতীয় ট্রাকে ২১৬ মেট্রিকটন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। যা থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে অন্তত ৭৫ লাখ টাকা।

Advertisement

উল্লেখ্য, হিলি স্থলবন্দর এলাকার কাঁচা বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ মান ভেদে বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকায়।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত