মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্বকে বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের মুখে ঠেলে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল। তিনি বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে কোনো দেশই এর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।
অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় এক অনুষ্ঠানে ফাতিহ বিরোল বলেন, বর্তমান সংকটের মাত্রা ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটগুলোর সম্মিলিত প্রভাবের চেয়েও বেশি হতে পারে। একই সঙ্গে এটি ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর সময়কার জ্বালানি অস্থিরতার সঙ্গেও তুলনা করা যায়।
তিনি বলেন, সত্তরের দশকের দুটি বড় তেল সংকটে বিশ্ব প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ হারিয়েছিল। অথচ বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা অতীতের সংকটগুলোকেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিরোল আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মক চাপে পড়েছে। ফলে এই সংকটের প্রভাব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তার মতে, দ্রুত সমাধান না এলে এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য গুরুতর হুমকিতে পরিণত হতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
এমএ//