নির্বাচনে পরাজয় হলেও ফল মেনে নিতে আপত্তি নেই তার। বরং রাজনৈতিক বিরোধীদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার পথ খুঁজতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের প্রত্যাশিত ফল না আসার পর ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব।”
তবে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পিছিয়ে পড়ার দায় নিজের ওপর নিতে নারাজ ট্রাম্প।
তার মতে, ব্যালটে নিজের নাম না থাকাই দলটির প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার অন্যতম কারণ।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম!”
নির্বাচনে যেসব প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছিলেন, তাদের পরাজয় নিয়েও কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
তবে সাউথ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকান প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’
এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষ- সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলের ওপর নির্ভর করছে আগামী দুই বছরে কংগ্রেসে দল দুটির ক্ষমতার ভারসাম্য।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। এর সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত নতুন কোনো আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়। পরে অনুমোদনের জন্য তা সিনেটে পাঠানো হয়। ফলে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রেও চাপে পড়তে পারে ক্ষমতাসীন দল।
এসি//