মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমকম্পের পর এখন জনগণের খাবার এবং নিরাপদ আশ্রয়ের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের উদ্ধার তৎপরতা ও জরুরি সহায়তায় নিয়োজিত দলগুলো।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মান্দালয় শহর এলাকায় পৌঁছানোর পর তারা এ কথা বলেন। মঙ্গলবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এতথ্য জানিয়েছে।
মান্দালয়ে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটির (আইআরসি) এক কর্মীর বরাতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, জানান, ‘মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বেঁচে যাওয়া মানুষেরা এখন খাবার, নিরাপদ আশ্রয় এবং আফটারশকের আতংক দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। রাতে ভবনের ভেতর ঘুমাতে সাহস পান না। আফটারশকের আতংকে আছেন এবং বাইরে রাস্তায় বা খোলা মাঠে ঘুমাচ্ছেন। এমতাবস্থায় প্রচুর তাঁবুর জরুরি প্রয়োজন। দিনের বেলায় মানুষ ভবনের ভেতরে ফিরে গেলেও ঘুমাতে সাহস পান না।
আইআরসি আরও জানিয়েছে, তাদের দলগুলো দেখেছে যে লোকদের জরুরিভাবে চিকিৎসা সেবা, পানীয় জল এবং খাবারের প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, গেলো শুক্রবার মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আহত মানুষের সংখ্যা ৩ হাজার ৯০০। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২৭০ জন।
ভূমিকম্পে মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৭ লাখ লোকের এ শহরটিতে উদ্ধার তৎপরতা ও জরুরি সহায়তার কার্যক্রম থুবড়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে এক সপ্তাহের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে জান্তা সরকার।
এমআর//